আইরিনের সিগারেট খাওয়া নিয়ে বাসায় অনেক তুমুল জগড়া। বিষয়টা এমন যে , সিগারেট ওর নষ্ট হওয়ার জন্যে দায়ী। বাসায় ওর মা আর ও। ২ টা মানুষ সারাদিন কি করে! একটু সিগারেট খেলে ওর মাথা থেকে যন্ত্রনা দূর হয়। তা আর কাউকে বুজানো সম্বব নয়। আজ ওর মা রেখা , অনেক বোকা বাকি করে আল্টিমেটাম দিয়েছে যদি সে সিগারেট না ছাড়ে তাহলে আবার আইরিনকে বিয়ে দিবে। আইরিন ও বলে দিয়েছে ও বিয়ে করবেন করলেও সিগারেট ছাড়বে না। আইরিনের মা ব্যাঙ্ক কর্মকর্তা। সারাদিন বাসায় থাকেন না। এক একা মেয়েটা থাকে আর বীর বির করে বকে। কাকে বকে কেন বকে তা জানা হয়না রেখার। শামীম ওর সাথে ছিল কিছু দিন তারপর লন্ডন চলে গেল। আর ফিরল না। মাঝখানে উকিল নোটিশ দিল। এইতো মেয়েটা এখন মায়ের কাছে। কোন ভাল বন্ধু নেই। আছে সিগারেট।
আইরিন তখন বিবিএ পড়ছে। কলেজ পড়ুয়া মেয়ে ভার্সিটি তে পা দিল। এত ফর্সা আর এক্সট্রোভার্ট মেয়ে ২টা নেই। প্রেমে পড়া হয়নি , কিন্তু প্রেম করবে এমন কাউকে পাশে ছিল না। গান গাইতো মেয়েটা। এক রাতে রং নাম্বারে শামীমের সাথে পরিচয়। ছেলেটা মেয়েটা কে কেমন করে চিনতো তা শামীম কখন ও বলে নি। অনেক দিন ধরে ফোন কথা হচ্ছিল। আইরিন ভাবলো আগে তো বুজি আসলে ছেলেটা কে ?
শামীম রাজনীতি করতো। ভাল পোস্ট ছিল। সব সময় ছেলে নিয়ে থাকতো। গান ও পছন্দ করতো। আইরিনকে গান শুনাতো। আইরিন ও গান গাইতো ওর সাথে। কোন এক বসন্তের দিনে োর ঠিক করলো দেখা করবে কোন এক রেস্টুরেন্ট এ। শামীম ওর ৪ টা বন্ধু ও ১ টা বান্ধবী নিয়ে আসলো আইরিনকে দেখবে ও ওদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। আইরিন বাসায় বলে গেল আজ আমার এক বন্ধু আসবে আমার সাথে দেখা করবে , হবিগঞ্জ থেকে। বিষয়টা তেমন কিছু ছিল না। খাবারের অর্ডার দিল , চিকেন বিরিয়ানী আরসালাদ। খেতে খেতে কথা হচ্ছে , শামীমকে দেখে আইরিন বার বার ভাবছে কেন আসলাম ? বেটে আর কালো গুন্ডা একটা ছেলে সাথে আবার ছেলে আর মেয়ে। ওর যদি প্রেম করার দরকার থাকতো তাহলে ওর যে বান্ধবী নিয়ে আসছে ও তো কম সুন্দরী না তারউপর মেয়েটা মেডিকেল এ পড়ে। ওখানে আর কিছু প্রকাশ করলোনা। খাওয়া শেষে বিদায় নিতে চাইলো আইরিন। কিন্তু শামীম ওকে বললো চল একটু হেটে আসি। ওর বন্ধুরা রেস্টুরেন্ট এ বসে ছিল। আইরিন আর শামীম সামনে খোলা জায়গায় হাটাহাটি করছিল। শামীম বলল, আমি জানি তুমি আজ থেকে আর আমাকে পছন্দ করবে না।, কারণ আমি কালো আর বেটে। ওর ওকথাশুনেআইরিন ভাবলো যাক ছেলে তা বুজে গেল যে আমাকে আর বুজতে হবে না। কিন্তু , শামীম আটার মত লেগে ছিল , আইরিনকে বলল , আমি তোমার সব চাওয়া পূর্ন করব , শুদু তুমি আমাকে একটু সময় দাও , আমার সাথে কথা বল। আইরিন ভাবলো আগেবাসায় যাই তারপর সিদ্দান্ত নিব। আইরিনকে শামীম বাসায় দিয়ে গেল। শামীম খুব চতুর ছেলে।
ভার্সিটির পরিচিত ভাইদের দিয়ে ওর খোঁজ খবর রাখতো। মেয়েটা চাইতো ছেলেটা যেন কোন ভাবে ওর সাথে আর দেখা না করতে পারে। তাই হল , শামীম আর ২ টা বছর ওর সাথে দেখা করতে পারলো না। আইরিন ভুলেই গেল শামীম কে।
আইরিনের বিয়ের কথা হচ্ছিল। কোথাও থেকে কে যেন একটা ভাল ছেলের খোঁজ পেল। রেখাকে খুব তাগাদা দিচ্ছিল ছেলেটা লন্ডন যাবে। রেখা না বুজে কথা দিল। োর মেয়েকে দেখতেও চাইলো না। আইরিন ভাবলো হয়তো ইসলামী পরিবার পরে দেখা হবে। ও নিজেকে গুচিয়ে নিচ্ছিল। রান্না শিখছিল। কত সত স্বপ্ন নিয়ে দিন যাচ্ছিল। ফাল্গুনের হাওয়া লাগছিল মনে।
বিয়ের সব প্রস্তুতি সম্পর্ন , জুবায়ের রাশিদ ওরফে শামীম কে বিয়ে করছে আইরিন। বিয়ের দিন আইরিন হতবাক কোথায় কে জুবায়ের রাশিদ ও তো শামীম। যার বাড়ি ছিল হবিগঞ্জ। কিন্তু ততক্ষনে অনেক কিছু পাল্টে গেল। শামীম তার প্রতিশোধ নীল ওরে অবজ্ঞা করার আর আইরিন বুজে গেল জীবনের বড় ক্ষতি করে ফেললো। শামীম আইরিনকে বললো , আমি তোমাকে ভালবাসতে চেয়েছি , কিন্তু তুমি আমাকে অবজ্ঞা করেছ। আমি তোমাকে জানি তুমি জেদি আমাকে তুমি মেনে নিবে না , কখন ও মেনে নিবে না। কিন্তু আমি তোমার ছায়া হয়ে থেকে গেলাম তোমার জীবনে। অনেক কোস্ট করতে হয়েছে তোমাকে পাওয়ার জন্যে আর দিন ১০ পর আমি চলে যাব লন্ডন আর তুমি থাকবে এখানে। ২ বছর ১ দিন আমি তোমাকে ছাড়া থাকিনি আর তুমি সারা জীবন আমাকে নিয়েই থাকতে হবে। বিষয়গুলা আইরিন বুজে উঠার আগেই ওদের অলিখিত ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল।
অনেক অনেক দিন পর শামীম লন্ডন থেকে ফোন করলো , আইরিন তুমি কি এখনো আছ্ ! আমি তোমাকে মিস করি , সাথে তার এক বন্ধু ও ছিল ফোনের ওপাড়ে , খুব জানতে চাইছিল , তুমি কি শামীমকে চেন ? আইরিন বলে দিল , নাহ আমি এই নামে কাউকে চিনিনা। আর ইটা আমার কুঁড়ে পাওয়া ফোন। প্লিজ আমাকে ডিসটার্ব করবেন না। ও পাড়ে শুনা যাচ্ছিল , আইরিন আমি তোমাকে ভুলি নি , আমি তোমাকে খুঁজে নিব।
আইরিন তখন বিবিএ পড়ছে। কলেজ পড়ুয়া মেয়ে ভার্সিটি তে পা দিল। এত ফর্সা আর এক্সট্রোভার্ট মেয়ে ২টা নেই। প্রেমে পড়া হয়নি , কিন্তু প্রেম করবে এমন কাউকে পাশে ছিল না। গান গাইতো মেয়েটা। এক রাতে রং নাম্বারে শামীমের সাথে পরিচয়। ছেলেটা মেয়েটা কে কেমন করে চিনতো তা শামীম কখন ও বলে নি। অনেক দিন ধরে ফোন কথা হচ্ছিল। আইরিন ভাবলো আগে তো বুজি আসলে ছেলেটা কে ?
শামীম রাজনীতি করতো। ভাল পোস্ট ছিল। সব সময় ছেলে নিয়ে থাকতো। গান ও পছন্দ করতো। আইরিনকে গান শুনাতো। আইরিন ও গান গাইতো ওর সাথে। কোন এক বসন্তের দিনে োর ঠিক করলো দেখা করবে কোন এক রেস্টুরেন্ট এ। শামীম ওর ৪ টা বন্ধু ও ১ টা বান্ধবী নিয়ে আসলো আইরিনকে দেখবে ও ওদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। আইরিন বাসায় বলে গেল আজ আমার এক বন্ধু আসবে আমার সাথে দেখা করবে , হবিগঞ্জ থেকে। বিষয়টা তেমন কিছু ছিল না। খাবারের অর্ডার দিল , চিকেন বিরিয়ানী আরসালাদ। খেতে খেতে কথা হচ্ছে , শামীমকে দেখে আইরিন বার বার ভাবছে কেন আসলাম ? বেটে আর কালো গুন্ডা একটা ছেলে সাথে আবার ছেলে আর মেয়ে। ওর যদি প্রেম করার দরকার থাকতো তাহলে ওর যে বান্ধবী নিয়ে আসছে ও তো কম সুন্দরী না তারউপর মেয়েটা মেডিকেল এ পড়ে। ওখানে আর কিছু প্রকাশ করলোনা। খাওয়া শেষে বিদায় নিতে চাইলো আইরিন। কিন্তু শামীম ওকে বললো চল একটু হেটে আসি। ওর বন্ধুরা রেস্টুরেন্ট এ বসে ছিল। আইরিন আর শামীম সামনে খোলা জায়গায় হাটাহাটি করছিল। শামীম বলল, আমি জানি তুমি আজ থেকে আর আমাকে পছন্দ করবে না।, কারণ আমি কালো আর বেটে। ওর ওকথাশুনেআইরিন ভাবলো যাক ছেলে তা বুজে গেল যে আমাকে আর বুজতে হবে না। কিন্তু , শামীম আটার মত লেগে ছিল , আইরিনকে বলল , আমি তোমার সব চাওয়া পূর্ন করব , শুদু তুমি আমাকে একটু সময় দাও , আমার সাথে কথা বল। আইরিন ভাবলো আগেবাসায় যাই তারপর সিদ্দান্ত নিব। আইরিনকে শামীম বাসায় দিয়ে গেল। শামীম খুব চতুর ছেলে।
ভার্সিটির পরিচিত ভাইদের দিয়ে ওর খোঁজ খবর রাখতো। মেয়েটা চাইতো ছেলেটা যেন কোন ভাবে ওর সাথে আর দেখা না করতে পারে। তাই হল , শামীম আর ২ টা বছর ওর সাথে দেখা করতে পারলো না। আইরিন ভুলেই গেল শামীম কে।
আইরিনের বিয়ের কথা হচ্ছিল। কোথাও থেকে কে যেন একটা ভাল ছেলের খোঁজ পেল। রেখাকে খুব তাগাদা দিচ্ছিল ছেলেটা লন্ডন যাবে। রেখা না বুজে কথা দিল। োর মেয়েকে দেখতেও চাইলো না। আইরিন ভাবলো হয়তো ইসলামী পরিবার পরে দেখা হবে। ও নিজেকে গুচিয়ে নিচ্ছিল। রান্না শিখছিল। কত সত স্বপ্ন নিয়ে দিন যাচ্ছিল। ফাল্গুনের হাওয়া লাগছিল মনে।
বিয়ের সব প্রস্তুতি সম্পর্ন , জুবায়ের রাশিদ ওরফে শামীম কে বিয়ে করছে আইরিন। বিয়ের দিন আইরিন হতবাক কোথায় কে জুবায়ের রাশিদ ও তো শামীম। যার বাড়ি ছিল হবিগঞ্জ। কিন্তু ততক্ষনে অনেক কিছু পাল্টে গেল। শামীম তার প্রতিশোধ নীল ওরে অবজ্ঞা করার আর আইরিন বুজে গেল জীবনের বড় ক্ষতি করে ফেললো। শামীম আইরিনকে বললো , আমি তোমাকে ভালবাসতে চেয়েছি , কিন্তু তুমি আমাকে অবজ্ঞা করেছ। আমি তোমাকে জানি তুমি জেদি আমাকে তুমি মেনে নিবে না , কখন ও মেনে নিবে না। কিন্তু আমি তোমার ছায়া হয়ে থেকে গেলাম তোমার জীবনে। অনেক কোস্ট করতে হয়েছে তোমাকে পাওয়ার জন্যে আর দিন ১০ পর আমি চলে যাব লন্ডন আর তুমি থাকবে এখানে। ২ বছর ১ দিন আমি তোমাকে ছাড়া থাকিনি আর তুমি সারা জীবন আমাকে নিয়েই থাকতে হবে। বিষয়গুলা আইরিন বুজে উঠার আগেই ওদের অলিখিত ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল।
অনেক অনেক দিন পর শামীম লন্ডন থেকে ফোন করলো , আইরিন তুমি কি এখনো আছ্ ! আমি তোমাকে মিস করি , সাথে তার এক বন্ধু ও ছিল ফোনের ওপাড়ে , খুব জানতে চাইছিল , তুমি কি শামীমকে চেন ? আইরিন বলে দিল , নাহ আমি এই নামে কাউকে চিনিনা। আর ইটা আমার কুঁড়ে পাওয়া ফোন। প্লিজ আমাকে ডিসটার্ব করবেন না। ও পাড়ে শুনা যাচ্ছিল , আইরিন আমি তোমাকে ভুলি নি , আমি তোমাকে খুঁজে নিব।
No comments:
Post a Comment
Thanks a lot
Regards,
morsalina