অসৎ বেক্তির ছেলেরা সব সময় অসৎ হয়।
মুজুমদার সাহেব খুব দাপুটে বেক্তি। তিনি সরকারি বড় কর্মকর্তা। উনার কথায় সব কিছু চলে। বলতে গেলে বাঘে মহিষে এক ঘাটে পানি খায়। উনার একটা ঋণ দেওয়ার প্রতিষ্ঠান ও আছে। উনি দরিদ্রদের ঋণ দেন। সময় মত টাকা না দিতে পারলে উনাদের জমি বৌ কিংবা মেয়ে মজুমদারের হয়ে যায়। ইটা যেন ওপেন সিক্রেট। তও উনি বড় ভালো লোক। এই তল্লাটে উনার চেয়ে ভাল যোগ্য লোক আর হয় না। পয়দা করতে করতে উনার ৬ ছেলে।
বড় ছেলে মকবুল , বিয়ে করে বিলিতে গেছে। সেখানে নিয়ে গেছে গ্রামের দরিদ্র এক মেয়েকে বাসার কাজের লোক হিসেবে। মকবুলের ঘরে সন্তানরা মকবুলকে ঘৃণা করে। কেন করে তা কারো জানা নেই। বাবার পাশে বসে োর খেতে ও বসে না। অনেক অনেক দিন পর সেই গ্রামের মেয়েটি ফিরত আসে। বলে ওখানে সবাই খুব নিষ্ঠুর। সারাদিন খাটায়।
মেঝ ছেলে গিয়াসুদ্দিন , কাজকরে মুদি দোকান দেয়। বড় সড়ো সে দোকান। অনেক ইনকাম কিন্তু সুখ নাই মনে। গিয়াসউদ্দিনের ২ ছেলে নিয়ে বড় বিপদ। কোন ছেলে কাজ করতে চায় না। বাইর করা বাড়িটা বিক্রি করতেচায়। গিয়াস পাড়ার সকল নারীদের গায়ে হাত দিয়ে কথা বলে। সবাই ওরে ভয় পে তাই কথা বলে না। যদি কিছু বলে ও ওর বাড়িতে চুরি চামারি হবেই।
মজুমদারের ৩ নাম্বার ছেলে , লিটন। পাড়ার বড় ভাই। এমন কোন কাজ নাই যে তিনি পারেন নাই। ছিনতাই , পুকুরে বিষ দেওয়া অথবা হাসপাতালের ঔষুধ বিক্রি করা। সব কিছু লিটনের বা হাতের কাজ। জীবনে পাওয়া বলে কিছু নাই। শুদু খেয়ে রাস্তায় পরে থাকা ছাড়া। কুকুর বিড়ালের পাশে শুয়ে দিন যায় ওর।
৪ নাম্বার ছেলে অনেক দূরদর্শী ছেলে। দেখতে শুনতে অতি মায়াময়। চুল সবসময় ষাট করে বাঁধে। বেপারী বলে সবাই তারে চিনে। জমি কেনা বেচা করে। কোথাও যদি খোঁজ পে খাস জমি তা দখল করার জন্যে একটা গুন্ডা বাহিনী রেখেছে। খুব নাম ধাম কামিয়েছে কেস মামলা খেয়ে। ভাব কিন্তু জমিদারের মতোই। টাকাকে টাকা মনে করেন না। যা মন চায় তাই করেন। কারো দুর্দিন গেলেও উনার সুদিন ১২ ম্যাশ জুড়ে। পুলিশকে টাকা দিয়ে উনি চলেন।
৫ নাম্বার সন্তান ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। ভাবে বুজা যায় একদম পাক্কা ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু একটা চোর। যেখানে চাকরি করে ওখান ই দল করে। দল করে সুপারিশ কামাচ্ছে। সব সময় চিন্তায় থাকে কাকে সে বিপদে ফেলে ফায়দা লুটবে। কারো বৌ হোক মেয়ে হোক তাদের সাথে ভাব করে ব্লেকমেইল করবে। সব সময় চিন্তা কি করে অন্যের ক্ষতি করবে।
৫ খান রত্ন মজুমদার পয়দা করলো। কিন্তু কাউকে ভাল শিক্ষা দিয়ে যেতে পারেন নি। শিখিয়েছেন কি করে অন্দকার জগতের রাজা হতে পারেন।
মুজুমদার সাহেব খুব দাপুটে বেক্তি। তিনি সরকারি বড় কর্মকর্তা। উনার কথায় সব কিছু চলে। বলতে গেলে বাঘে মহিষে এক ঘাটে পানি খায়। উনার একটা ঋণ দেওয়ার প্রতিষ্ঠান ও আছে। উনি দরিদ্রদের ঋণ দেন। সময় মত টাকা না দিতে পারলে উনাদের জমি বৌ কিংবা মেয়ে মজুমদারের হয়ে যায়। ইটা যেন ওপেন সিক্রেট। তও উনি বড় ভালো লোক। এই তল্লাটে উনার চেয়ে ভাল যোগ্য লোক আর হয় না। পয়দা করতে করতে উনার ৬ ছেলে।
বড় ছেলে মকবুল , বিয়ে করে বিলিতে গেছে। সেখানে নিয়ে গেছে গ্রামের দরিদ্র এক মেয়েকে বাসার কাজের লোক হিসেবে। মকবুলের ঘরে সন্তানরা মকবুলকে ঘৃণা করে। কেন করে তা কারো জানা নেই। বাবার পাশে বসে োর খেতে ও বসে না। অনেক অনেক দিন পর সেই গ্রামের মেয়েটি ফিরত আসে। বলে ওখানে সবাই খুব নিষ্ঠুর। সারাদিন খাটায়।
মেঝ ছেলে গিয়াসুদ্দিন , কাজকরে মুদি দোকান দেয়। বড় সড়ো সে দোকান। অনেক ইনকাম কিন্তু সুখ নাই মনে। গিয়াসউদ্দিনের ২ ছেলে নিয়ে বড় বিপদ। কোন ছেলে কাজ করতে চায় না। বাইর করা বাড়িটা বিক্রি করতেচায়। গিয়াস পাড়ার সকল নারীদের গায়ে হাত দিয়ে কথা বলে। সবাই ওরে ভয় পে তাই কথা বলে না। যদি কিছু বলে ও ওর বাড়িতে চুরি চামারি হবেই।
মজুমদারের ৩ নাম্বার ছেলে , লিটন। পাড়ার বড় ভাই। এমন কোন কাজ নাই যে তিনি পারেন নাই। ছিনতাই , পুকুরে বিষ দেওয়া অথবা হাসপাতালের ঔষুধ বিক্রি করা। সব কিছু লিটনের বা হাতের কাজ। জীবনে পাওয়া বলে কিছু নাই। শুদু খেয়ে রাস্তায় পরে থাকা ছাড়া। কুকুর বিড়ালের পাশে শুয়ে দিন যায় ওর।
৪ নাম্বার ছেলে অনেক দূরদর্শী ছেলে। দেখতে শুনতে অতি মায়াময়। চুল সবসময় ষাট করে বাঁধে। বেপারী বলে সবাই তারে চিনে। জমি কেনা বেচা করে। কোথাও যদি খোঁজ পে খাস জমি তা দখল করার জন্যে একটা গুন্ডা বাহিনী রেখেছে। খুব নাম ধাম কামিয়েছে কেস মামলা খেয়ে। ভাব কিন্তু জমিদারের মতোই। টাকাকে টাকা মনে করেন না। যা মন চায় তাই করেন। কারো দুর্দিন গেলেও উনার সুদিন ১২ ম্যাশ জুড়ে। পুলিশকে টাকা দিয়ে উনি চলেন।
৫ নাম্বার সন্তান ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। ভাবে বুজা যায় একদম পাক্কা ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু একটা চোর। যেখানে চাকরি করে ওখান ই দল করে। দল করে সুপারিশ কামাচ্ছে। সব সময় চিন্তায় থাকে কাকে সে বিপদে ফেলে ফায়দা লুটবে। কারো বৌ হোক মেয়ে হোক তাদের সাথে ভাব করে ব্লেকমেইল করবে। সব সময় চিন্তা কি করে অন্যের ক্ষতি করবে।
৫ খান রত্ন মজুমদার পয়দা করলো। কিন্তু কাউকে ভাল শিক্ষা দিয়ে যেতে পারেন নি। শিখিয়েছেন কি করে অন্দকার জগতের রাজা হতে পারেন।
No comments:
Post a Comment
Thanks a lot
Regards,
morsalina