আই লাভ ইউ বলতে শিখুন।
আমার ২ বছরের ছেলেটা প্রথম বলতে শিখলো আল্লাহ আর লাইলাহা ইল্লাহ। সারাদিন এই ২তা কোথাই ও জানতো। কয়েক দিন পর দেখলাম। ও আরো এই রিলেটেড বাক্য শিখতে চায়। আমি ওরে সকালে আদর দেই , কলিজা , যান পাখি , আদরি বুড়া , মওলা , টিয়া পাখি কত কি নাম ডাকি। ওকে প্রতিদিন বুজতে চাই আমি ওরে কত ভালোবাসি ! তারপর শিখালাম , আই লাভ ইউ। তারপর থেকে ও বলে আই লাভ ইউ টু। দাদি নানী নানা জেক সে অনলাইন এ পায় তাকেই বলবে , আই লাভ ইউ। ওর মামার সাথে ভীষণ খাতির। মামাকে না দেখলে ওর ননু কে দেখাবে মামাকে। মামাকে আদর পাঠাবে। একটু পর পর এসে দেখে যাবে মা কার সাথে কথা বলছে ? যদি সেটা তারপরিচিত কেউ হয় তাহলে তো হলো আই লাভ ইউ বলবেই। বাবাকে আদর করবে , ওরে অনেক ভালোবাসা দিতে হয়। একটু রাগ দেখলে আর ওখানে থাকবেই না। কাছে ও আসবে না। যেই বলবো , আই লাভ ইউ। অমনি একদম বিড়ালের মত আদর করবে।
মেয়েটা কে দিয়ে কোন কাজ করানোর আগে পরে তো উনাকে বলতেই হবে , এই নাবা , শুনে যা , আই লাভইউ , হুম বলো ,কেন ডেকেছ ? পানি খাব , wait করো , থ্যাংকু , আই লাভ ইউ , হুম , মি টু।
তরী কে আমি চিনি ভার্সিটি থেকে , কথা অত হয় নি। কিন্তু আমরা একজন আর কাজনকে চিনতাম। খুব স্মার্ট আর চঞ্চল ছিল। ছিল বলছি কারণ ২ দিন আগে ও না ফেরার দেশে চলে গেছে। ১০ বছরের বিবাহিত জীবন। রাকা একটা ৬ বছরের ছেলে আর ১০ দিনের একটা মেয়ে রেখে চলে গেল। সব সময় আনন্দে থাকতো। ফেবু তে প্রচুর ছবি , হরেক রকমের ছবি , ওর অনেক ছেলে বন্ধু থাকতে আমি একটু এরাই চলতাম। কিন্তু জানি যে ও খুব আন্তরিক ছিল সব কিছুতে। নতুন নতুন শাড়ি আর গয়না ওর খুব পছন্দের ছিল। ভালবেসে বিয়ে ২ জন্যে মেড ফর each othar . বৈশাখে কত ঘুরার ছবি দেখেছি। আমি হতবম্ব এই করোনা আমার কাছের কেউ কে এই ভাবে হারাবো। ওর সাথে প্রতিটা মানুষ আমার মতোই হতবম্ব হয়ে গেলাম। এত ওরে চিনি কিন্তু কখন ও বলা হয় নি , তোকে আমার সত্যি অনেক ভাল লাগে। বাচ্চা হওয়ার পর নিউমোনিয়া হলো কিন্তু লাইফ সাফোর্ট দিয়ে এমনকি ভেন্টিলেটর দিয়ে ও মেয়েটাকে ফিরানো গেল না। ভাবছি ১০ দিনের পরীর মত বাচ্চাটা জানলো না ওর মা কত ভালো মানুষ ছিল।
ফটো সাংবাদিক রেহানা আক্তার। খুব সাদা সিধে মেয়েটা। কাজল পড়তো। ঐটুকুই সাঝে। হাতে একটা নিকন ছিল। হেসে হেসে কথা বলতো। কোথায় কোথায় বলতো তোকে দিব দরে ২ টা। ও অফিসের নিচে টঙের দোকানে সিগারেট খেত। আর বলতো খ খেল মজা পাবি। ওর ঢং ঢং কথা গুলা আজ শুদু মনে পড়ছে। একটা ৩ বছরের মেয়ে আছে। একটা স্কুটি করে অফিস শেষে বাজার নিয়ে ফিরতো। ছবি তা যেন বুকের মধ্যে ঘেঁথে আছে। কোলন কেন্সার হলো। কোনো দিন বলে ও নি। এক বার অফিসের পার্টি তে ছবি তুলে দিয়ে বললো কাচ্চি খোয়া তাইলে দিব না হলে দিব না। আমি বললাম আমার লাগবে না তোকে খাওয়াবো না। ইমেইল করে আগেই ছবি পাঠিয়ে দিয়েছিল। অত ঢুকে হয় না তাই পরে জানতে পেরেছিলাম। কাল রাতে ও ও না ফেরার দেশে চলে গেল। কিছুই কখন ও বলতে পারিনি। যদি বলতে পারতাম তোমার কাজল মাখানো চোখ গুলা খুব মায়াবী। এমন করে কি চলে যেতে হয় !
আমার ২ বছরের ছেলেটা প্রথম বলতে শিখলো আল্লাহ আর লাইলাহা ইল্লাহ। সারাদিন এই ২তা কোথাই ও জানতো। কয়েক দিন পর দেখলাম। ও আরো এই রিলেটেড বাক্য শিখতে চায়। আমি ওরে সকালে আদর দেই , কলিজা , যান পাখি , আদরি বুড়া , মওলা , টিয়া পাখি কত কি নাম ডাকি। ওকে প্রতিদিন বুজতে চাই আমি ওরে কত ভালোবাসি ! তারপর শিখালাম , আই লাভ ইউ। তারপর থেকে ও বলে আই লাভ ইউ টু। দাদি নানী নানা জেক সে অনলাইন এ পায় তাকেই বলবে , আই লাভ ইউ। ওর মামার সাথে ভীষণ খাতির। মামাকে না দেখলে ওর ননু কে দেখাবে মামাকে। মামাকে আদর পাঠাবে। একটু পর পর এসে দেখে যাবে মা কার সাথে কথা বলছে ? যদি সেটা তারপরিচিত কেউ হয় তাহলে তো হলো আই লাভ ইউ বলবেই। বাবাকে আদর করবে , ওরে অনেক ভালোবাসা দিতে হয়। একটু রাগ দেখলে আর ওখানে থাকবেই না। কাছে ও আসবে না। যেই বলবো , আই লাভ ইউ। অমনি একদম বিড়ালের মত আদর করবে।
মেয়েটা কে দিয়ে কোন কাজ করানোর আগে পরে তো উনাকে বলতেই হবে , এই নাবা , শুনে যা , আই লাভইউ , হুম বলো ,কেন ডেকেছ ? পানি খাব , wait করো , থ্যাংকু , আই লাভ ইউ , হুম , মি টু।
তরী কে আমি চিনি ভার্সিটি থেকে , কথা অত হয় নি। কিন্তু আমরা একজন আর কাজনকে চিনতাম। খুব স্মার্ট আর চঞ্চল ছিল। ছিল বলছি কারণ ২ দিন আগে ও না ফেরার দেশে চলে গেছে। ১০ বছরের বিবাহিত জীবন। রাকা একটা ৬ বছরের ছেলে আর ১০ দিনের একটা মেয়ে রেখে চলে গেল। সব সময় আনন্দে থাকতো। ফেবু তে প্রচুর ছবি , হরেক রকমের ছবি , ওর অনেক ছেলে বন্ধু থাকতে আমি একটু এরাই চলতাম। কিন্তু জানি যে ও খুব আন্তরিক ছিল সব কিছুতে। নতুন নতুন শাড়ি আর গয়না ওর খুব পছন্দের ছিল। ভালবেসে বিয়ে ২ জন্যে মেড ফর each othar . বৈশাখে কত ঘুরার ছবি দেখেছি। আমি হতবম্ব এই করোনা আমার কাছের কেউ কে এই ভাবে হারাবো। ওর সাথে প্রতিটা মানুষ আমার মতোই হতবম্ব হয়ে গেলাম। এত ওরে চিনি কিন্তু কখন ও বলা হয় নি , তোকে আমার সত্যি অনেক ভাল লাগে। বাচ্চা হওয়ার পর নিউমোনিয়া হলো কিন্তু লাইফ সাফোর্ট দিয়ে এমনকি ভেন্টিলেটর দিয়ে ও মেয়েটাকে ফিরানো গেল না। ভাবছি ১০ দিনের পরীর মত বাচ্চাটা জানলো না ওর মা কত ভালো মানুষ ছিল।
ফটো সাংবাদিক রেহানা আক্তার। খুব সাদা সিধে মেয়েটা। কাজল পড়তো। ঐটুকুই সাঝে। হাতে একটা নিকন ছিল। হেসে হেসে কথা বলতো। কোথায় কোথায় বলতো তোকে দিব দরে ২ টা। ও অফিসের নিচে টঙের দোকানে সিগারেট খেত। আর বলতো খ খেল মজা পাবি। ওর ঢং ঢং কথা গুলা আজ শুদু মনে পড়ছে। একটা ৩ বছরের মেয়ে আছে। একটা স্কুটি করে অফিস শেষে বাজার নিয়ে ফিরতো। ছবি তা যেন বুকের মধ্যে ঘেঁথে আছে। কোলন কেন্সার হলো। কোনো দিন বলে ও নি। এক বার অফিসের পার্টি তে ছবি তুলে দিয়ে বললো কাচ্চি খোয়া তাইলে দিব না হলে দিব না। আমি বললাম আমার লাগবে না তোকে খাওয়াবো না। ইমেইল করে আগেই ছবি পাঠিয়ে দিয়েছিল। অত ঢুকে হয় না তাই পরে জানতে পেরেছিলাম। কাল রাতে ও ও না ফেরার দেশে চলে গেল। কিছুই কখন ও বলতে পারিনি। যদি বলতে পারতাম তোমার কাজল মাখানো চোখ গুলা খুব মায়াবী। এমন করে কি চলে যেতে হয় !
No comments:
Post a Comment
Thanks a lot
Regards,
morsalina