রাফিনের সুখী সুখী ভাব !
রাফিন বড়হয়েছে শ্রীমঙ্গলের চায়ের দেশে। ছোট খাট মেয়েটি খুব বেশি মানুষের সাথে মিশে না। ক্লাস শেষ করেই হোস্টেলে চলে যেত। বৃহস্পতি বার আসলেই রাফিন ক্লাস করতে চাইতো না। চলে যেত নদীর ধারে।
রাফিনের সাথে অনেক বিষয় নিয়ে আমার সাথে কথা হয়। মোটামুটি ও খুব মুখস্ত বিদ্যা ভালো ছিল। মুখস্ত বিদ্যা দিয়ে বড় বড় অংক ও লিখে আসতো। ওকে যখন বলতাম কি করে করছিস ? ও বলতো মুখস্ত করে লিখছি। আমার বড় জানতে ইচ্ছে হত ও কি করে মুখস্ত করে। একবার ওর হোস্টেলে গিয়ে টেবিলের চারপাশে লেকচারের সিট গুলা পড়ে আছে। পাশের একজনকে বললাম কি বেপার ! এগুলা এমন করা কেন ? োর বলতো, রাফিন কানে ফোন লাগিয়ে সারাদিন রাট এগুলা মুখস্ত করে। আমি আর ভয়ে ওর হোস্টেলে যেতাম না। মেয়েটা ভয়ানক রোগি। এমন করে কেউ পড়ে !
নানাবিদ সমস্যা পড়লে রাফিন ছুতে আসতো , একটু হেল্প কর। সব সময় আমার খাতা গুলা ও কপি করতে নিত। কপি শেষে পরের দিন দিয়ে দিত..
রাফিন একবার খুব অসুস্থ হয়ে পড়লো। হাসপাতালে ভর্তি। ডাক্তার বললো , রক্ত কম , রক্ত দিতে হবে। রক্ত দেওয়া হল। ওরে দেখতে গেলাম হাসপাতালে। গিয়ে দেখি একটা ছেলে টেবিলে ঘুমাচ্ছে আর ও ঘুমাচ্ছে বিছানায়। জিজ্ঞাসা করলাম ও কে ? বললো , আমার এলাকার ছেলে , এমসি তে পড়ে। আমার কেউ নাই দেখার তাই আসছে। আমাদের দেখে ছেলেটা হড়বড় করে জেগে উঠলো। উঠে বাহিরে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যেন কোন চোর আমরা দেখে ফেলছি।
রাফিন বরাবরই ভাল রেসাল্ট করে। কিন্তু ছুটি হলে ও বাড়ি যেত না হোস্টেলে পড়েথাকতো। ঈদের সময় ও যখন সব বন্ধ তখন ও কারো সাথে বাসায় গিয়ে উঠতো। কারো জানা ছিল না কেন ও এমন করে।
অনেক দিন পর জানলাম সেই দিন যে ছেলেটা কে ডেকেছিলাম ও আর রাফিন লুকিয়ে বিয়ে করছে। যেটা ২ পরিবার কেউ জানতো না। তাই রাফিন ও ছেলেটাকে রেখেছে কোথাও যেত না। রাফিন এখন ভাল চাকরি করে অনেক সুন্দর পরিবার আর ছেলেটা এখন শিক্ষা অফিসার।
রাফিন বড়হয়েছে শ্রীমঙ্গলের চায়ের দেশে। ছোট খাট মেয়েটি খুব বেশি মানুষের সাথে মিশে না। ক্লাস শেষ করেই হোস্টেলে চলে যেত। বৃহস্পতি বার আসলেই রাফিন ক্লাস করতে চাইতো না। চলে যেত নদীর ধারে।
রাফিনের সাথে অনেক বিষয় নিয়ে আমার সাথে কথা হয়। মোটামুটি ও খুব মুখস্ত বিদ্যা ভালো ছিল। মুখস্ত বিদ্যা দিয়ে বড় বড় অংক ও লিখে আসতো। ওকে যখন বলতাম কি করে করছিস ? ও বলতো মুখস্ত করে লিখছি। আমার বড় জানতে ইচ্ছে হত ও কি করে মুখস্ত করে। একবার ওর হোস্টেলে গিয়ে টেবিলের চারপাশে লেকচারের সিট গুলা পড়ে আছে। পাশের একজনকে বললাম কি বেপার ! এগুলা এমন করা কেন ? োর বলতো, রাফিন কানে ফোন লাগিয়ে সারাদিন রাট এগুলা মুখস্ত করে। আমি আর ভয়ে ওর হোস্টেলে যেতাম না। মেয়েটা ভয়ানক রোগি। এমন করে কেউ পড়ে !
নানাবিদ সমস্যা পড়লে রাফিন ছুতে আসতো , একটু হেল্প কর। সব সময় আমার খাতা গুলা ও কপি করতে নিত। কপি শেষে পরের দিন দিয়ে দিত..
রাফিন একবার খুব অসুস্থ হয়ে পড়লো। হাসপাতালে ভর্তি। ডাক্তার বললো , রক্ত কম , রক্ত দিতে হবে। রক্ত দেওয়া হল। ওরে দেখতে গেলাম হাসপাতালে। গিয়ে দেখি একটা ছেলে টেবিলে ঘুমাচ্ছে আর ও ঘুমাচ্ছে বিছানায়। জিজ্ঞাসা করলাম ও কে ? বললো , আমার এলাকার ছেলে , এমসি তে পড়ে। আমার কেউ নাই দেখার তাই আসছে। আমাদের দেখে ছেলেটা হড়বড় করে জেগে উঠলো। উঠে বাহিরে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যেন কোন চোর আমরা দেখে ফেলছি।
রাফিন বরাবরই ভাল রেসাল্ট করে। কিন্তু ছুটি হলে ও বাড়ি যেত না হোস্টেলে পড়েথাকতো। ঈদের সময় ও যখন সব বন্ধ তখন ও কারো সাথে বাসায় গিয়ে উঠতো। কারো জানা ছিল না কেন ও এমন করে।
অনেক দিন পর জানলাম সেই দিন যে ছেলেটা কে ডেকেছিলাম ও আর রাফিন লুকিয়ে বিয়ে করছে। যেটা ২ পরিবার কেউ জানতো না। তাই রাফিন ও ছেলেটাকে রেখেছে কোথাও যেত না। রাফিন এখন ভাল চাকরি করে অনেক সুন্দর পরিবার আর ছেলেটা এখন শিক্ষা অফিসার।
No comments:
Post a Comment
Thanks a lot
Regards,
morsalina