বর্ষায় গাছ।
গত ২ বছর ধরে একটা জিনিস শিখলাম। যা আমার তার উত্তম ব্যবহার করতে হয়। আমার একটা ছোট জমি যেটা পড়ে থাকতো। গত বছর এটাকে ঘিরে দিলাম। তার পর ভাবতে লাগলাম আসলে আমি কি করবো। আমার ছোট ছোট বাচ্চা। ওদের নিয়ে এই জমিতে কিছু করা যাবে না। কিন্তু আমি প্রতি দুপুরে ওদের ঘুম দিয়ে জমিতে যেতাম। একটু একটু করে পরিষ্কার করে সুন্দর করলাম। পাশ থেকে কিছু কচু গাছ দিলাম এক কোনে। আর ম্যাচ দিলাম আর এক দিকে। মাজ খান টুকু ফাঁকা ছিল। তারপর বুধবারের হাট থেকে এনে লাগলাম লাউ গাছ। বর্ষা শেষ হতে না হতে লাগিয়ে দিলাম। প্রায় এক মাস অপেক্ষা করলাম। তারপর পুরো ৩ কাঠা জমি লাউয়ের ডগা তে ভোরে গেল। কত শত ফুল ফুটে থাকতো। মনে হট আমি একটা ফড়িং অথবা প্রজাপ্রতি। আমি বাচ্চাদের নিয়ে ওখানে বসে থাকতাম। ওদের ছেড়ে দিতাম মাটি নিয়ে খেলতে। যেহেতু আমি সব সময় পড়াশুনা চাকরি বাচ্চা মানুষ করা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম আমার ভাল বন্ধু ছিলোনা। আমার কথা বলার মোট মানুষ কম ছিল। আমি দেখলাম বাগান করতে গিয়ে আসে পাশে সবাই আমাকে হেল্প করতে শুরু করেছে। ওদের কথা শুনতাম আমার কথা ও ওদের বলতাম। আমার বাচ্ছারা ওদের সাথে মিশে ওদের বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। আমার যে কোন সমস্যায় আমি ওদের পাশ পাই.. ওরা আমাকে পেলে যেমন আনন্দ পে আমি ও তাই।
কিছু দিন পর আমার বাগানে প্রচুর লাউ ধরলো। আমরা প্রথম যে লাগ্ গুলা আসছিলো সেগুলো স্থানীয় মসজিদে দিয়ে দেই। আমার প্রতিবেশীরা তা কিনে টাকা দিয়ে দেই মসজিদে। আর যারা আবদার করেছে তাদের লাউ দেই। আমার আত্মীয় দের বাসায় লাউ গুলা দেই। সাথে হলো প্রচুর শশা। কম করে হলে ও ২০ কেজি আমরা শুদু প্রতিবেশীদের দেই। এমনকি রাজশাহীতে পাঠাই। ওখানে সবাই তো অবাক। এই মেয়ে বাগান করে তা আবার রাজশাহীতে পাঠাচ্ছে।
আমার বাবা -মা চাচা চাচী যে যেখানে ছিল পাঠিয়েছি। আমরা প্রতি সপ্তাহে ২ বার করে খেয়েছি।
সবার নতুন করে জন্য আমি বাগান করতে পারি। নিচে দিয়েছিলাম কুমড়া আর লাল শাক আর তার সাথে পাই শাক। কিছুই আমাকে কিনতে হয় নি। কিছুটা পরিশ্রম করে আমি অনেক আনন্দ পাই।
এবার দিয়েছি চালকুমড়া , করলা, শশা , কুমড়া, ধুন্দুল , পেঁপে , কলা , পুঁই ,শিম, আর কঁচু। এখনি প্রায় ৫ টি চালকুমড়া বিলিয়ে দিয়েছি। আমরা খেয়েছি। আবার যারা আবদার করছে বলে দিয়েছি , কয়েকদিন পর দিব। করলা যখন নিজের গাছের। তিতা তখন মনে হয় না। আর কচুর লোটি গুলা যখন প্রায় ২ হাত হয় তখন মনে হয় োর আমাকে আনন্দ দেয়ার জন্যে এত লম্বা হয়। পেঁপে গাছে প্রচুর ফুল আসছে। কোলা গাছ আসমান ছুঁয়ে আছে। নিশ্চই এইবার নিজের গাছের কোলা খাব।
আনন্দ লাগে তখন যখন আসে পাশের সবাই এক সাথে গাছের যত্ন নেই. আর বিভিন্ন জিনিস নিয়ে হাসি তামাশা করি।
সবার বুদ্দি শুনি আর হাঁসি। আমাদের এক ভাই আজ বলছে , ভাবী মিষ্টি একটু কুমড়া গাছের তলায় দিন দেখবেন কুমড়া গুলা কত মিষ্টি হবে। আমি হাস্তে হাস্তে শেষ। গত বছর ওদের সব কথা শুনে আমি সেই ভাবে গাছ লাগিয়েছি। এইবার আমাকে বোকা ভাবছে। তবে গত বার যে কুমড়া হয়েছে। তা বাড়িতে মাকে পাঠানোর পর মা বলেছে এত কুমড়া খেয়েছি মা কিন্তু তোমার গাছের মোট এত মিষ্টি কুমড়া আর হয় না। এত আনন্দ আমি কি করে পেতাম যদি কুড়ে হয়ে বসে থাকতাম। মাঝেমাঝে ঘুম হয়না। খেতের কোন কোনায় কি লাগাবো , কি করলে আরো সুন্দর হবে এই ভেবে।
বর্ষায় একটু গাছ লাগিয়ে দেখেন কেমন লাগে। ও আপনাকে শুধু ভালোবাসাই দিবে। সাথে তো বোনাস আরো কত কি আছে !
গত ২ বছর ধরে একটা জিনিস শিখলাম। যা আমার তার উত্তম ব্যবহার করতে হয়। আমার একটা ছোট জমি যেটা পড়ে থাকতো। গত বছর এটাকে ঘিরে দিলাম। তার পর ভাবতে লাগলাম আসলে আমি কি করবো। আমার ছোট ছোট বাচ্চা। ওদের নিয়ে এই জমিতে কিছু করা যাবে না। কিন্তু আমি প্রতি দুপুরে ওদের ঘুম দিয়ে জমিতে যেতাম। একটু একটু করে পরিষ্কার করে সুন্দর করলাম। পাশ থেকে কিছু কচু গাছ দিলাম এক কোনে। আর ম্যাচ দিলাম আর এক দিকে। মাজ খান টুকু ফাঁকা ছিল। তারপর বুধবারের হাট থেকে এনে লাগলাম লাউ গাছ। বর্ষা শেষ হতে না হতে লাগিয়ে দিলাম। প্রায় এক মাস অপেক্ষা করলাম। তারপর পুরো ৩ কাঠা জমি লাউয়ের ডগা তে ভোরে গেল। কত শত ফুল ফুটে থাকতো। মনে হট আমি একটা ফড়িং অথবা প্রজাপ্রতি। আমি বাচ্চাদের নিয়ে ওখানে বসে থাকতাম। ওদের ছেড়ে দিতাম মাটি নিয়ে খেলতে। যেহেতু আমি সব সময় পড়াশুনা চাকরি বাচ্চা মানুষ করা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম আমার ভাল বন্ধু ছিলোনা। আমার কথা বলার মোট মানুষ কম ছিল। আমি দেখলাম বাগান করতে গিয়ে আসে পাশে সবাই আমাকে হেল্প করতে শুরু করেছে। ওদের কথা শুনতাম আমার কথা ও ওদের বলতাম। আমার বাচ্ছারা ওদের সাথে মিশে ওদের বন্ধুতে পরিণত হয়েছে। আমার যে কোন সমস্যায় আমি ওদের পাশ পাই.. ওরা আমাকে পেলে যেমন আনন্দ পে আমি ও তাই।
কিছু দিন পর আমার বাগানে প্রচুর লাউ ধরলো। আমরা প্রথম যে লাগ্ গুলা আসছিলো সেগুলো স্থানীয় মসজিদে দিয়ে দেই। আমার প্রতিবেশীরা তা কিনে টাকা দিয়ে দেই মসজিদে। আর যারা আবদার করেছে তাদের লাউ দেই। আমার আত্মীয় দের বাসায় লাউ গুলা দেই। সাথে হলো প্রচুর শশা। কম করে হলে ও ২০ কেজি আমরা শুদু প্রতিবেশীদের দেই। এমনকি রাজশাহীতে পাঠাই। ওখানে সবাই তো অবাক। এই মেয়ে বাগান করে তা আবার রাজশাহীতে পাঠাচ্ছে।
আমার বাবা -মা চাচা চাচী যে যেখানে ছিল পাঠিয়েছি। আমরা প্রতি সপ্তাহে ২ বার করে খেয়েছি।
সবার নতুন করে জন্য আমি বাগান করতে পারি। নিচে দিয়েছিলাম কুমড়া আর লাল শাক আর তার সাথে পাই শাক। কিছুই আমাকে কিনতে হয় নি। কিছুটা পরিশ্রম করে আমি অনেক আনন্দ পাই।
এবার দিয়েছি চালকুমড়া , করলা, শশা , কুমড়া, ধুন্দুল , পেঁপে , কলা , পুঁই ,শিম, আর কঁচু। এখনি প্রায় ৫ টি চালকুমড়া বিলিয়ে দিয়েছি। আমরা খেয়েছি। আবার যারা আবদার করছে বলে দিয়েছি , কয়েকদিন পর দিব। করলা যখন নিজের গাছের। তিতা তখন মনে হয় না। আর কচুর লোটি গুলা যখন প্রায় ২ হাত হয় তখন মনে হয় োর আমাকে আনন্দ দেয়ার জন্যে এত লম্বা হয়। পেঁপে গাছে প্রচুর ফুল আসছে। কোলা গাছ আসমান ছুঁয়ে আছে। নিশ্চই এইবার নিজের গাছের কোলা খাব।
আনন্দ লাগে তখন যখন আসে পাশের সবাই এক সাথে গাছের যত্ন নেই. আর বিভিন্ন জিনিস নিয়ে হাসি তামাশা করি।
সবার বুদ্দি শুনি আর হাঁসি। আমাদের এক ভাই আজ বলছে , ভাবী মিষ্টি একটু কুমড়া গাছের তলায় দিন দেখবেন কুমড়া গুলা কত মিষ্টি হবে। আমি হাস্তে হাস্তে শেষ। গত বছর ওদের সব কথা শুনে আমি সেই ভাবে গাছ লাগিয়েছি। এইবার আমাকে বোকা ভাবছে। তবে গত বার যে কুমড়া হয়েছে। তা বাড়িতে মাকে পাঠানোর পর মা বলেছে এত কুমড়া খেয়েছি মা কিন্তু তোমার গাছের মোট এত মিষ্টি কুমড়া আর হয় না। এত আনন্দ আমি কি করে পেতাম যদি কুড়ে হয়ে বসে থাকতাম। মাঝেমাঝে ঘুম হয়না। খেতের কোন কোনায় কি লাগাবো , কি করলে আরো সুন্দর হবে এই ভেবে।
বর্ষায় একটু গাছ লাগিয়ে দেখেন কেমন লাগে। ও আপনাকে শুধু ভালোবাসাই দিবে। সাথে তো বোনাস আরো কত কি আছে !
No comments:
Post a Comment
Thanks a lot
Regards,
morsalina