স্মৃতির জানালায় কে যে উঁকি দেয়।
গ্রাফিক্স শিক্ষার সময় অনেক গুলা ঘটনা ঘটে আমার জীবনে। প্রথম আমি জানলাম অকৃতিম প্রেম করে কয় ! আমার পরীক্ষার রেসাল্ট খুব ভাল ছিল। বলা ছিল আমাকে ৮০% ওয়েবার দিবে। কিন্তু যে ২০ % টাকা দিলাম তওটাকা কম না। সর্ব সাকুল্লে প্রায় ২২০০০ টাকা। ভাবছি এত দিন পর বাবার কত টাকা পানিতে ফেলে দিয়েছিলাম জেদের জন্যেই। বাবা তো ভর্তি করবেনা। কিন্তু আমি বাবা কে নিয়ে গেলাম সুবিদ বাজারে ওদের অফিসে। নিয়ে োর বাবা কে যে কি বুজালো বাবা ভর্তি করিয়ে দিল। আমি কলেজ শেষে গিয়ে প্রতিদিন ২ ঘন্টা কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকতাম। আমাদের স্যার ছিল বিচি টাইপের। সালা যে কি বুজাত আমি তা আজ ও বুজতে পারতাম না। কত গুলা টুলস আর এডিটিং ছাড়া কিছুই শিখায় নি। সেটা খুব আফসোস রয়ে গেল জীবনে। আমি হয়তো আর একটু পরিশ্রম করলে এখনো নিজে নিজে এগুলা বাল চাল করে ফেলতে পারবো। রাগ আছে অনেক স্যারের উপর।
সে সময়ে কিছু দারুন মানুষের সাথে আমার পরিচয়। রিয়াদ ভাই একজন যিনি পরে আমার সাথে ইংলিশ কোর্স করেছিলেন। একে উনি ছিলেন মেথের স্টুডেন্ট আবার হমিওপেথি স্টুডেন্ট আবার স্টুডেন্ট পড়াতেন। খুব পরিশ্রম করতেন এক ভাই একবোনের পরিবার ছিল. খুব আধুনিক ছিল মন মানুষিকতা। ভাই কে যখনি বলতাম ভাই আপনার প্রিয় মানুষের গল্প বলেন , উনার প্রেমের গল্প করতেন। হেলেনা ছিল ওর নাম। খুব চঞ্চল , ভাইয়ের কথা শুনতো না। একই সাবজেক্ট এ পড়তো কিন্তু ক্লাস কম করতো। ভাই বাসায় গিয়ে ওরে পড়াতো। ওর বাবা মা ভাইকে টিচার হিসেবে নিয়োগ দদেয়। কি যে মজার মানুষ ছিলেন। সাদা হাসি খুশি আর নতুন নতুন পরিকল্পনা করতেন সামনে বছর কি করবেন। খুব মিস্ট ভাষী ছিলেন , এক দিন আমাদের বাসায় এসে নুডুলস খেয়ে গিয়েছিলেন। তারপর নাকি যখনি নুডুলস খেতেন আমাদের বাসার কথা মনে হত। আমার মায়ের রান্না আসলেই খুব দারুন। আমার সব বন্ধুরা খেয়ে বলতো আবার কবে যাব !
ভাই একবার ভাল টাকা পেয়েছিলেন কোথাও থেকে। আমাদের নিয়ে খাওয়ালেন বিকালে নাস্তা। আমরা প্রায় ৮ জন ছিলাম সবাইকে খোয়ালেন। একদিন দেখি রিক্সায় বসে আছেন একটা সুন্দরী মেয়ের সাথে। আমাকে দেখে রিক্সা থামিয়ে বললেন এই হচ্ছে হেলেনা। হেলেনা মাথা ঝুঁকিয়ে বললো ও তুমি হলে ও ! আমি ও মাথা জুকালাম। বুজলাম আমাদের সবার গল্প ওর জানা। কি মায়া ভরা আছে মেয়েটার। বললাম একদিন বাসায় নিয়ে আসেন।
তার কিছু দিন পর রিয়াদ ভাইকে দেখি একটা ডায়েরি হাতে হন্নে হয়ে কোথাও যাচ্ছেন। জিজ্ঞাসা করলাম , কেমন আছেন ভাই ? বললো ভাল , আর হেলেনা কেমন আছে ? বললো ও তো বাহিরে চলে গেছে। আমি ও যাব কিছু দিন পর। বললাম , ভাই অনেক বদলে গেছেন। কিছু বললো না।
আজ অনেক দিন পর বুজলাম তার যে দীর্ঘনিশ্বাস ছিল তার মানে কি ! আসলেই জীবন কেন যে বদলায় এক জায়গায় থাকেনা। কোথাও খেয়াল হারিয়ে যায়।
গ্রাফিক্স শিক্ষার সময় অনেক গুলা ঘটনা ঘটে আমার জীবনে। প্রথম আমি জানলাম অকৃতিম প্রেম করে কয় ! আমার পরীক্ষার রেসাল্ট খুব ভাল ছিল। বলা ছিল আমাকে ৮০% ওয়েবার দিবে। কিন্তু যে ২০ % টাকা দিলাম তওটাকা কম না। সর্ব সাকুল্লে প্রায় ২২০০০ টাকা। ভাবছি এত দিন পর বাবার কত টাকা পানিতে ফেলে দিয়েছিলাম জেদের জন্যেই। বাবা তো ভর্তি করবেনা। কিন্তু আমি বাবা কে নিয়ে গেলাম সুবিদ বাজারে ওদের অফিসে। নিয়ে োর বাবা কে যে কি বুজালো বাবা ভর্তি করিয়ে দিল। আমি কলেজ শেষে গিয়ে প্রতিদিন ২ ঘন্টা কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকতাম। আমাদের স্যার ছিল বিচি টাইপের। সালা যে কি বুজাত আমি তা আজ ও বুজতে পারতাম না। কত গুলা টুলস আর এডিটিং ছাড়া কিছুই শিখায় নি। সেটা খুব আফসোস রয়ে গেল জীবনে। আমি হয়তো আর একটু পরিশ্রম করলে এখনো নিজে নিজে এগুলা বাল চাল করে ফেলতে পারবো। রাগ আছে অনেক স্যারের উপর।
সে সময়ে কিছু দারুন মানুষের সাথে আমার পরিচয়। রিয়াদ ভাই একজন যিনি পরে আমার সাথে ইংলিশ কোর্স করেছিলেন। একে উনি ছিলেন মেথের স্টুডেন্ট আবার হমিওপেথি স্টুডেন্ট আবার স্টুডেন্ট পড়াতেন। খুব পরিশ্রম করতেন এক ভাই একবোনের পরিবার ছিল. খুব আধুনিক ছিল মন মানুষিকতা। ভাই কে যখনি বলতাম ভাই আপনার প্রিয় মানুষের গল্প বলেন , উনার প্রেমের গল্প করতেন। হেলেনা ছিল ওর নাম। খুব চঞ্চল , ভাইয়ের কথা শুনতো না। একই সাবজেক্ট এ পড়তো কিন্তু ক্লাস কম করতো। ভাই বাসায় গিয়ে ওরে পড়াতো। ওর বাবা মা ভাইকে টিচার হিসেবে নিয়োগ দদেয়। কি যে মজার মানুষ ছিলেন। সাদা হাসি খুশি আর নতুন নতুন পরিকল্পনা করতেন সামনে বছর কি করবেন। খুব মিস্ট ভাষী ছিলেন , এক দিন আমাদের বাসায় এসে নুডুলস খেয়ে গিয়েছিলেন। তারপর নাকি যখনি নুডুলস খেতেন আমাদের বাসার কথা মনে হত। আমার মায়ের রান্না আসলেই খুব দারুন। আমার সব বন্ধুরা খেয়ে বলতো আবার কবে যাব !
ভাই একবার ভাল টাকা পেয়েছিলেন কোথাও থেকে। আমাদের নিয়ে খাওয়ালেন বিকালে নাস্তা। আমরা প্রায় ৮ জন ছিলাম সবাইকে খোয়ালেন। একদিন দেখি রিক্সায় বসে আছেন একটা সুন্দরী মেয়ের সাথে। আমাকে দেখে রিক্সা থামিয়ে বললেন এই হচ্ছে হেলেনা। হেলেনা মাথা ঝুঁকিয়ে বললো ও তুমি হলে ও ! আমি ও মাথা জুকালাম। বুজলাম আমাদের সবার গল্প ওর জানা। কি মায়া ভরা আছে মেয়েটার। বললাম একদিন বাসায় নিয়ে আসেন।
তার কিছু দিন পর রিয়াদ ভাইকে দেখি একটা ডায়েরি হাতে হন্নে হয়ে কোথাও যাচ্ছেন। জিজ্ঞাসা করলাম , কেমন আছেন ভাই ? বললো ভাল , আর হেলেনা কেমন আছে ? বললো ও তো বাহিরে চলে গেছে। আমি ও যাব কিছু দিন পর। বললাম , ভাই অনেক বদলে গেছেন। কিছু বললো না।
আজ অনেক দিন পর বুজলাম তার যে দীর্ঘনিশ্বাস ছিল তার মানে কি ! আসলেই জীবন কেন যে বদলায় এক জায়গায় থাকেনা। কোথাও খেয়াল হারিয়ে যায়।
No comments:
Post a Comment
Thanks a lot
Regards,
morsalina