Thursday, 24 October 2019

হাসুন মন খুলে।

হাসুন মন খুলে।
 নুসরাতের খুনি সিরাজুদ্দীন যেদিন পুলিশ ধরে নিয়ে গেল।  সিরাজুদ্দীন পান খাওয়া মুখে হাঁসছিল।  গেন্নায় তখন মনে হল এত রাক্ষসের হাঁসি।  যার কোন আবেগ নাই, যার ক্ষমতার কাছে প্রশাসন নাটের গুটি।  ভাবছিলাম , এত নির্লজ্য মানুষ বুক দর্পীয়ে হাসে কেন? আমার মত যারা নুসরাতের শেষ কথা গুলি শুনেছি, তাঁদের সিরাজুদ্দীন কে দেখে ঘৃণা হবেই।  "ও ডাক্তার আপ্নে কখন আসবেন আমি পানি খাব।  একটু পানি খেয়ে কলিজা জ্বালিয়ে দিব।  সব বেথা শেষ করে দিব।  আমি জীবন দিব কিন্তু বিচার চাইব। " আজ ও কথা গুলো কানে বাজে মেয়েটা কত সাহসী।  অপমান সহ্য করতে পারে নি।  নিজেকে অপমানিত হতে দেখতে ও পারে নি।  ও হল বীরঙ্গনা।  আজ যখন সিরাজুদ্দিনের ফাঁসির আদেশ হল সাথে আর ও ১৫ জনের তখন আমি ওর মুখের সেই হাঁসি খুঁজে বেড়িয়েছি।  না আজ আর হাসি না কান্না তার চোখে মুখে।  কম্পেয়ার করলাম , সুজুগ পেয়ে ধরা কে সরা ভেবে কত জনকে অপমানিত , লাঞ্চিত আর শ্রীলতা হানি করেছে।  এই বার বিধি বাম।  তুমি ভাগাড়ে যাও।  আজ নুসরাত গুমাক কবরে শান্তিতে।  আজ হয়তো ও আমাদের বলছে তোমরাও বল, প্রতিবাদ কর , হেরে যাবে না।  জীবনে অনেক কিছু পাওয়ার দরকার নাই , যা কিছু পেয়েছ তা যেন অমূল্য হয়।  নুসরাতের জন্য আজ হাঁসি।  তুমি আমাদের করেছ আর ও শক্তিশালী আর প্রতিবাদী। 

ট্রলারে চলন

ট্রলারে চলন , কথাটা আমার কাছে নতুন।  প্রথম ভাবতাম যেদিন বৌভাত হয় সে দিন বুজি চলন।  কিন্তু না যে দিন বিয়ে হয় সে দিন যারা বৌকে নিয়ে আসার জন্য বর যাত্রী হয়ে যায় তাকেই চলন বলে।  মজার মজার কথা চারপাশে।  আমার প্রতিবেশী চলনে যাবে , আমাকে বললো আপনার গয়না পাওয়া গেলে ভাল হত।  আমি একটা গয়না দিলাম।  তারপর শুনলাম চলনের কথা।  বর মুদি দোকানি , নাম - আল আমিন।  কনে তার বাবার ৩ নাম্বার মেয়ে।  বাড়ি খিলগাঁও বিলের মাঝখানে।  কথা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাস করলাম , কিভাবে যাবেন ? বললো ট্রলার।  এ? আমি তো টাস্কি।  জীবনে শুনিনি ঢাকা শহরে ট্রলার দিয়ে চলন।  এইখানে যাদের বালু নদীর পাড়ে বিয়ে হয় তাদের চলন এমনহয়।  এমন বর্ষা আবার সাজুগুজু করে কিনা যাবে ট্রলারে? এটাই নাকি এখানকার ঐতিহ্য।  শুনছি, বিয়ে হওয়ার আগে ছেলে মেয়ের বাড়িতে আত্মীয় রা কয়েকদিন আগেই আসে।  ওদের পরিবার কে সাথে নিয়ে।  নতুন বিয়ে নতুন কিনা কাটা।  মৌচাক , গুলিস্থান, বাড্ডা , যমুনা মার্কেট হবে সবার।  কিনা কাটা শেষে সাজুগুজু।  পারলার তো থাকবেই।  কালার ম্যাচিং তো অবশই।  খোলা মাঠে খেতে দিবে।  বৌ নিয়ে আবার সেই ট্রলারে করে কনে নিয়ে বাড়ি আসবে।  ট্রলারে থাকবে মেয়েদের জন্য চেয়ার আর বাচ্চাদের ও পুরুষ দের বসে যেতে হবে।  লাল নীল সবুজ রঙের কাগজ দিয়ে ট্রলার থাকবে সাজান।  আর অন্য দিকে ব্যান্ড এর গান থাকবে সাথে।  এই চলন আমার কাছে নতুন অভিগ্গতা।  

Wednesday, 23 October 2019

কার্তিক মাসের কাতিয়ানী

কার্তিক মাসের কাতিয়ানী  বাংলা প্রবাদ।  শীতের আগমনী বার্তা হল এই কাতিয়ানী। কার্তিক মাসে যে বৃষ্টি হয় তাকেই কাতিয়ানী বলে।  গত ২ বছর আগে আমি যখন ঝিল পাড়ে ছিলাম তখন এমন বৃষ্টি শুরু হল যে ৫ দিন অবিরত বৃষ্টি।  যা  থামার কোন লক্ষণ দেখছিলাম না।  চারদিকে পানিতে থৈ থৈ।  কানায় কানায় পানি।  ঝিলের পানি রাস্তা ছুঁই ছুঁই।  তারপর আমরা কম্বল কাঁথা নামিয়ে শীত শীত উৎযাপন শুরু করলাম।  এই বছর একদিন গরম আর একদিন শীতের হাওয়া  বইছে।  আমি আসে পাশের কৃষক ভাই দের জিজ্ঞাসা করি , ভাই এইবার কি বৃষ্টি হবে? উনাদের উত্তর দিন বদলাইছে , কিছুই বুজা যায়না।  তবে এইবার দেরিতে আসবে।  এর মধ্যেই লাল শাক , সবুজ শাক , কলমি লতা , কুমড়া আর লাউ গাছ গুলা বড় হয়েছে।  আমার মনে চিন্তা যদি কাইতান শুরু হয় তা তো থাম্বার না.  ৫ দিন থেকে ৭ দিন ও থাকতে পারে।  যেহেতু পানি যাওয়ার জায়গা কম।  আমার গাছ গুলা পানিতে থাকতে পারে।  পরশু শেষ রাতে যখন ২-৪ ফোটা করে বৃষ্টি পড়ছিল আমি গুমিয়ে ভাবছি , যাক এই বার হালকা করে বৃষ্টি আসুক।  বৃষ্টি থিম গেল।  আমি ঘুরে এলাম আমার সবজি বাগানে।  খুব সুন্দর লাগছিল গাছ গুলাকে।  প্রতিদিন রোদ হয় আবার বাতাসে কোথা  থেকে মেঘ  আসে রোদ চলে  যায়।  এই কে ২ দিন চলে গেল।  আজ হটাৎ করে স্ট্যার্ট বাটন চাপ দিয়ে মুষুল ধরে বৃষ্টি।  শহরের যে যেখানে ছিল ভিজে চুপ চুপ।  আমার সুন্দর গাছ গুলা ও অবিরত পানি পেয়ে নেচে গেয়ে দুলছে।  আমি ভাবছি , থাম বাপু এত মেঘ আর দরকার নাই, অল্প স্বল্প বৃষ্টি যেন হয়।  যখন লিখছি , আমার একটা কান বারান্দাদের ঝিম ঝিম বৃষ্টির শব্দ শুনতে পাই আর অন্য কান দিয়ে শুনছি মেয়ের কার্টুন এর ডায়লগ , আই এম হ্যাপ্পি হেয়ার।  আর মন দিয়ে লিখছি।  ও আমার শখের কাইতান যাও তোমার বাড়ি।  এ বেলা আমাকে গাছের বড় হওয়া দেখতে দাও। 

Monday, 21 October 2019

Being indistractable

মনে করুন সকাল বেলা আপনি সাদা কাপড় পড়লেন , কাজ করছেন বার বার সচেতন হতে হচ্চে কোথায় বসলেন ? কি কাজ করছেন? ধূলা -ময়লা যেন গায়ে না লাগে , এমনটা সারাদিন করতে হল।  পরের দিন কালো কাপড় পড়লেন - কোন চিন্তা নেই কারণ কোন কিছুই কালো কাপড়ে দাগ ফেলবে না।  আপনি ও ঠিক তেমন , মনটা যদি সাদা হয় বার বার খেয়াল করবেন , অন্যের চিন্তা ,কথা ,বাজে বেবহার , রাগ, অভিলাষ, অতৃপ্তি এগুলা যেন সাদা মনটা কে কালো তে রূপান্তরিত না করে. আপনার সাবধানতা আপনার আত্বিক পড়রিপুর্নতা ধরে রাখবে।  আপনি ভাবছেন অন্যের গালগল্প অথবা রাগের পরিস্থিতি আপনার মনে কোন প্রভাব পরবেনা , ভুল ভাবছেন।  যখনি আপনি একটা রাগের পরিস্থিতিতে পড়ছেন তখন আপনি আরো ও ১০ জনকে এটা বলে বেড়াচ্ছেন।  এতে রাগের পরিস্থিতি আরো বড় পরিস্থিতিতে মোড় নিবে। কিন্তু আপনি যদি ঘটনাটি ওখানেই শেষ করে দিতেন তাহলে ঘটনাটি আর বড় হত না।  ছোট ঘটনা আপনি মনের মধ্যে করে বাড়ি নিয়ে লালন করছেন।  মন তখন অন্য সময় রিপ্রোডিউস করবে বিষয়টি।  আপনার মনটা হওয়া দরকার সাদা কাপড়ের মত।  যত যত্ন নিবেন তত চকচক করবে।  আপনি মনের মধ্যে অনেক কিছু থাকে যা প্রতিনিয়ত গোছাতে হয়।  নতুন করে রিস্টার্ট দিতে হয়। মনের ভিতরের যে কুলসতা আছে তাকেও প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হয়।  এতে আপনার অন্য মনযোগ কেড়ে নেয়া বিষয়গুলা দূরে সরে যাবে।  

Sunday, 20 October 2019

তাই জানো যা জানাই, সেটিই দেখো যা দেখাই.....💕

আপনি অনেক সুন্দর, মোটা, চুল গুলা কোঁকড়া। যাই হন না কেন, আপনার সব কিছু আপনার বেক্তিগত সম্পদ।  আমি আপনাকে চুলকিয়ে কারো কোন লাভ হবে না।  বরং সময় অপচয়।  আপনাকে আপনার রুচি , আচার আর সংশ্নকারে বুজা যাবে।  অতিরিক্ত বুজা মানে কিছু গরমিল।  কি দরকার আপনি সুখে থাকুন।  আপনি যা দেখবেন তা আপনি নিজে।  তাই জানো যা জানাই , সেটাই দেখো যা দেখাই।  এই টেগ লাইন টা সামনে পারলে ঝুলিয়ে রাখুন। যারা জানতে চায় একটু বেশি আরো ও বেশি। 

How to plant palong shak -Spinach

অনেকে পালং শাকের বিচি দেন কিন্তু হয় না।  ফলাফল মনে করেন যে বিক্রেতা ঠকিয়েছে , অথবা টাকা নষ্ট।  আসলে বেপারটা কিন্তু অন্য জায়গায়।  আমি বাজার থেকে পালং বিচি নিয়ে আসার পর দেখছি যে , বিচি গুলো একটু বড় বড় শাকের ধলা র  মত।  একটু পানি দিয়ে ভিজেয়ে রাখলাম।  খেতে গিয়ে দিব বিকালে এই প্লেন করছিলাম।  বিকালে একটা টিফিনে করে নিয়ে যাচ্চিলাম। পথেই সুন্দর গাজী সাথে দেখা , যে কিনা একসময় কৃষক ছিলেন , এখন হজ করে টুকটাক কাজ করে আর নামাজ পড়েন।  উনি বললেন, মা কি নিয়ে যাও ? তখন বললাম , পালং শাকের বিচি।  তখন তিনি বললেন , এই ভাবে দেয়া যাবে না।  এগুলারে শুকনা ছাই সাথে ভিজেয়ে রাখে পুটলি বানিয়ে রেখে দিতে হবে।  তারপর ২ দিন পর খুলে ছিটিয়ে দিতে হবে।  তখন ই জানলাম যে , পালং শাক কেন হয় আর হয় না।  

Not every thing is necessary

আমার পরিচিত একজন বেলুন আর বাদাম বিক্রি করেন।  একদিন জিজ্ঞাসা করলাম , আপনার অর্থ সংকট নাই তাও কেন বাদাম বিক্রি করেন ? উত্তরে তিনি বলেন , আমি তো শুদু ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের কম টাকায় সুখ দেই , হাঁসি দেখি। আমি জিজ্ঞাসা নিয়ে বসে কথা শুনছি। তিনি বললেন আমার ৩ ছেলে , কেউ মানুষ হয় নি , শুদু ওদের মায়ের জন্য।  বৌ চলে গেল বাহরাইন।  অনেক দ্র্রুত বড় লোক হবে এই আশায়। তারপর আর কোন খোঁজ খবর রাখেনি। ওখানে এ এক বাঙালি কে বিয়ে করেছে।  আমার আর ছেলেদের দেখবালেরর কেউ থাকল না।  আমি ওদের যত্ন নেই কিন্তু মা থাকলে যা হত তা আর হচ্চে না. এই করে ওদের বড় করছি। কিন্তু ওরা ওদের নিজের মত মানুষ হচ্ছে।  খুব খারাপ না কিন্তু চলে একরকম।  আমি ওদের স্কুলে দিয়ে বসে থাকতে ভাল লাগে না।  তাই এই কাজ করি।  এখন ভাবি সব কিছু পেতে নেই।  হারানোর ভয় থাকে। 

Friday, 18 October 2019

BP is silent killer

গিলি গিলি ফুঁ।  হয়ে গেল বিপি হাই।  শেষ সবই শেষ।  পার্টিতে যাবেন , সাজুগুজু করে সুন্দর হয়ে বসে আছেন।  কিন্তু, গাড়ি আসতে দেরি।  ড্রাইভার অনেক দূরে।  ঢাকার জেম আপনার চোখে মুখে। আপনার বিপি হাই হয়ে গড় গড় করছেন। আপনি কি আসলেই কিছু করতে পারবেন? জীবন মুখী অনেক কিছু আপনার হাতে না ও থাকতে পারে।  মেনে নিন।  আপনার নেগেটিভ ভাবনা আপনার মন শরীল ই খারাপ হবে , আর আপনি ক্ষয় পেতে পেতে ডাক্তারের বিল বাড়াবেন।  শান্ত হয়ে নিজেকে বুজান।  শান্তি পাবেন। 

Thursday, 17 October 2019

Duck with Bean

হাঁস দিয়ে বাঁশ শুনেছেন , তাহলে আজ শুনুন হাঁস দিয়ে সীমের বিচির রান্না।  খাবার যারা খেতে ভালবাসেন তারা আবার অন্যের কথা শুনতেও ভালবাসেন।  কটু কথা যেমন তিক্ত অভিগ্গতা দেয় ঠিক তেমন ভাল খাবার মনকে ভাল রাখে।  আপনি খাবার কেমন খাবেন , যেমন লবন বেশি নাকি ঝাল বেশি নাকি মোটামুটি কিন্তু তৃপ্তি আসবে সে খাবার খাবেন সেটা আপনার রুচি বোধের উপর নির্বর করে।  আমি যতই নুন ,ঝাল  ঠিক করে দেয় না কেন ডাইভার্সিটি এমন জিনিস যে আপনি শুনবেন , এই খাবার জন্মে খাই নি।  এমনটা হতে পারে না? খুব ভাল হল।, আবার কর।  রুচি নিয়ে নতুন খাবার খেলাম।  ভালবাসা কম নিয়ে থাকা মানুষ গুলা বাঁচে কি করে ? আমি জানিনা।  একবার মা কে বললাম মা তোমার হাতের 'কচু শাকের রান্না খাই নি অনেক দিন।  মা শুনে সাথে সাথে রান্না করল।  আমি ভাবছিলাম মা হয়ত ভাবছে , এই মেয়েকে যদি আমি প্রতিদিন কাছে পেতাম।  আবার একদিন চাচী কে বললাম , চাচী আপনার হাতের লু শাকের সাথে মাছ খাইনি।  চাচী করে খাওয়ালো।  অদ্ভুত সম্পর্ক খাবারের সাথে মানুষের।  সবার রান্না যেমন সব কিছু খুব তৃপ্তি হবে না আবার তার অন্য খাবার গুলাও ভুলে যাবেন না। 
হাঁস দিয়ে বাঁশ আমি কল্পনা করি কেমন হবে।  যদি ও খাইনি।  বাঁশ কে ছোট করে কেটে তা যদি মাংস আর সাথে দেয়া হয় নিশ্চই গলে যাবে।  'কিন্তু এটা লেটকে তো হবে না? সিলেট যাব এই খাবারের সন্ধানে।  আমার হাঁসের সাথে সীমের বিচি রান্না হতে ২ ঘন্টা লাগল।  সীমের বিচি সিদ্ধ হতে সময় নেয়।  বার বার দেখে আসছি।  জানিনা খাবার টেবিলে আজ কি ঝড় হয়।  এই সব অদ্ভুত রান্না সময় অল্টারনেটিভ রান্না করে রাখি যাতে কারো আবার খেতে অসুবিধা না হয়। 
সম্পক আর হাঁস বাঁশ আর সীমের বীচি কেউ কারো নয় অথচ মনের তুষ্টি আর পুষ্টি সব মিলে   হয় সুন্দর ঘর।  

Departure

৮তলা থেকে চাঁদকে দেখি।  আধা  ছায়া আর আধা  সাদা।  আজ কোন তারিখ সেটা দেখার কোন আগ্রহ নাই আমার।  দেখছি গত চারপাঁচ দিন আগে প্রবারণা পূর্ণিমা ছিল।  শহরের আকাশ জুড়ে লান্ত্রিন , হালকা বাতাসে আকাশ ছুঁই ছুঁই।  তারার মত জল জল করছিল। আমার বর নামাজ থেকে এসে বলছে , জানু আজতো খালি চোখে তাঁরা দেখতে পাই।  আমি হাঁসি আর বলি বোকা আজ পূর্ণিমা।  পরের দিন শনিবার অফিস নাই , সন্ধ্যায় বলছিল চল ছাদে যাই. আমার যাওয়া হল না।  বেচারা ও গেল না।  দিনটা হারিয়ে গেল।  ফানুস গুলা যেমন দূর আকাশে টিম টিম জ্বলতে জ্বলতে নিভে গেল আমার ওই দিনটা ও হারিয়ে গেল।  আমার খুব প্রিয় বন্ধুত্ব দূরত্ব বাড়তে বাড়তে এখন আর কথাই হয় না।  বিদেশ থাকে ওর রাত আর আমার দিন।  বুজে নেই ভাল আছে।  মাঝে মাঝে ওয়ালে এসে ২ কথা লিখল।  প্রিয় ছোট বোন একই শহরে থাকি অথচ যে কথা দিয়েছিলাম তা আজ ও রাখতে পারিনি।  বলেছিলাম তোর সাথে প্রতি সপ্তাহে দেখা করব।  গত ৩ মাসে দেখা হয় নি।  মা-বাবা ওদের সাথে ও দেখা নাই।  কথা হয় ফোনে।  জীবনের সময় অসময় কে সাথে নিয়ে আমরা চলি।
আবার নতুন চাঁদ উঠবে , মাহাদী তার আম্মাকে হারিয়েছে , অনন্ত যাত্রায় আমি ও শামিল। 

Be clear

নিজের মনকে পরিষ্কার রাখা বিষয়টা নতুন হলেও সবার মাঝে এই গুন্ টা থাকে।  থাকে না যাদের তাদের নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যেথা নাই।  জীবনটা যখন আমার , আমার হাসি মাখা মুখটার যত্ন আমি করি আমার রিদয়ের খেয়াল আমিই রাখব।  কে খারাপ ভাবল ? কে মুখ বাকা করল? কে কার পিছনে লাগল ? এই নিয়ে াহ াহ চিন্তা করে নিজের মূল্যবান সময় খরচ করা বুদ্দিমানের কাজ না।  আর তা আমি একদম করি না।  কারন আমি জানি আমি কি করছি।  আমি আগামীতে কেমন থাকতে চাই।  আমার ছেলেমেয়ে কিভাবে ভাল শিক্ষা পাবে তা ভেবে বের করা আমার দায়িত্ব। আমি আমার কাজটি যত্ন নিয়ে করলে োর তা শিখবে।  আর সারাদিন অন্যের সমালচনা আর কু চিন্তা করলে শেষ বয়সে অন্যের মুখাপেক্ষই হতে হবে।  বিষয়টা এমন যে আজ আমি যা করব আগামী তা আমাকে ফিরত দিবে।  আপনি আমি আমাদের চারপাশ উধারণে ভর্তি।  নিজের কাজ নিজে করুন।  আগে কাজ না পারলে শিখুন।  শিখতে কোন অজুহাত দিবেন না।  আজ যে কাজ টি শিখবেন তা আপনাকে সুখ দিবে।  আর হ্যা জীবন সাজানো আপনার কাজ।  ভালবাসার মানুষ গুলা আরো ও একটু ভালবাসবে।  মনের যত্ন নিবেন।  ভাল গান শুনুন , ছেলেমেয়েদের সাথে নাচুন , প্রিয়জনদের সাথে প্রাণ খুলে আড্ডা দিন, পূরণ স্মৃতি আড়ষ্ঠ করে কিছু নতুন স্মৃতি বানান। সুখ আসবে , নিজে হাসুন অন্যকে হাসানঃ  . এইতো জীবন। ..

Tuesday, 15 October 2019

Convey your best regards to your familiar with

আমরা স্কুল কলেজ বিশবিদ্দালয়ে অথবা যে খানে থাকি সব জায়গায় পরিচিত লোকের সংখ্যা কম না।  অনেক। দেখা যায় গুরে  ফিরে ওদের সাথে দেখা হয় কিন্তু বেস্ততা কথা হয় না. এমনটা আসলে সময়ের জন্য হয় না।  গুড়ে ফায়ার যে মানুষ টা প্রতিনিয়ত দেখা হয় অথচ তার খিজ খবর নেয়া হয় না. এভাবে আমরা তার ও পরিচিত কিন্তু আন্তরিক হয়ে উঠি না।  হঠাৎ কারো কাছে খবর শুনি তিনি হয়ত আর নেই।  একটু খোঁজ খবর রাখলে নিজে যেমন তার কাছে পরিচিত চেয়ে মূল্যবান বন্ধুত্ব সম্পর্ক তৈরী হয় ঠিক তেমনি আপনি নিজের প্রয়জনে তাকে ও তার প্রয়জনে নিজে কে খুঁজে পাবেন। অনেক সময় নিজের ইগো তে মনে হয় ও তো আমার সাথে যায় না কেন আমি মিশব।  অথচ আপনি যখন বিপদে পড়বেন ওই ছাড়া হয়তো আর কেউ নেই আপনার পাশে।  আপনার মূল্যবান সম্পর্ক হয়ত আপনার জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসবে। কিছু না হয় সালাম বিনিময় করেন।  দেখবেন কত মুখ আপনার চারপাশে। 

Monday, 14 October 2019

Being in the Present

বর্তমান
 গত কাল দুপুর ১২ টায় ক্ষেতে গেলাম।  একটা টুল বসলাম এই শীতে ছেলেমেয়েকে নিয়ে রোদ পোহাবার জন্য।  অনেক টা ঘাস পরিষ্কার করলাম।  সুন্দর করে গাছের কারা গুলু ঠিক জায়গায় রাখলাম।  তপ্ত রোদ মাথা রোদে  হয়ে গেল।  বুজতে পারছিলাম কাজটা যদি ও সুন্দর কিন্তু ভুল সময়ে করছিলাম। নাবা কে নিয়ে বাসায় এসে পড়াতে বসলাম।  না ওকে আর পড়াতে পারলাম না।  চোখে বেথা করছে আর মাথা যন্ত্রনা।  এখন আমি যদি বলি এটা আমার সাথে কেন হল? আমার ই কর্ম ফল।  যেহেতু আমি নিজে ভুল সময় কাজ টি করছি। 
প্রায়শ আমরা অভিযোগ দেই কান আমার সাথে এমন হল? আমার ছেলেমেয়ে আমার সাথে ভাল বেবহার করে না, ওদের কথা বুজান যায় না, সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে আর ও কত কি , বেবসা খারাপ যাচ্ছে।  এগুলা আমাদের অতীত কর্ম ফল ফায়ার আসছে। আমাদের উচিত বর্তমান কে ফোকাস করা।  বর্তমান আমাদের সঠিক সিদ্দান্ত আমাদের ভবিষ্ৎ কে পরিবর্তন ও মাজিত করবে। বর্তমানে থেকে বর্তমান সুন্দর করে সিদ্দান্ত নিতে হবে আমিকি সুষ্ঠ থাকব নাকি অসুস্থ হব. আমি যদি আজ বড় খাদ্য অভ্ভাস তৈরী করি তা ভবিষতে অসুখে পরিণত করবে, বেয়াম না করি ,খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন না করি তা আমাকে খারাপ পরিণতি তে নিয়ে যাবে।  সুতরাং একটা সুন্দর আগামীর জন্য আজ থেকে এখন থেকে বর্তমানে মনযোগী হওয়া প্রয়জন।  আপনি যে কোন কাজে নিজেকে উৎসাহ দিবেন আপনার ভাগ্য আপনার সাথে সাড়া দিবে। একজন শতবর্ষী মানুষ প্রাণবন্ত জীবন পে কর্মফলের জন্য আবার ৫০ ঊর্ধ লোক জীবন যন্ত্রনায় কাতরায় , শুধুমাত্র কর্মফলের জন্য।  আজ থেকে নিজেকে পরিবর্তন করুন সুন্দর আগামীর জন্য।  

Sunday, 13 October 2019

Shadow -

এক সন্ধ্যায়  বারান্দায় বসে হাওয়া খাচ্ছি।  মোবাইলে সাউন্ড অফ করে কি যেন দেখে যাচ্ছি।  মেয়েটা দাদিকে জ্বালাচ্ছে।  আমি শুনছি , কিছু বলছিনা।  যেহেতু ও একটু ঢংইলা একটু কিছু বললে কাদা কাটি শুরু করে দিবে।  মেয়ে ভাবছে মা বুজি ছাদে গিয়ে বসে আছে।  আরো জ্বালাচ্ছে।  আমি একটু মানুষ জন নিয়ে থাকতে পছন্দ করি।  ভালবাসার মানুষ গুলা দূরে না কাছে থাকুক এই ভাবনা আমার সবসময়ের।  হঠাৎ শুনতে পেলাম , মেয়ে বলছে মামা আসলে আমি ঘুমাব এখন গুমাব না।  আমি হাসছি মনে মনে যে দাদি চায় ও একটু তারা তারি ঘুমাক কিন্তু ও চায় না।  ওর দাদির প্রতিউত্তর ছিল , মামা কে তো তুমি প্রতিদিন দেখ আজ ঘুমিয়ের পর।  তখন আমি মনে মনে ভাবছি , মেয়ে তার মায়ের মত ভালবাসার কাঙাল।  মামা আসুক তারপর ঘুমাব। আমি তো আর সব কিছু ওকে শিখিয়ে বড় করতে পারব না , কিন্তু কিছু শিক্ষা নিজে নিজে শিখে নিবে।   হুম বাবা মা আমরা , অনেক ভাবনা করে ওদের বড় করতে গেলে পুরো সেটআপ পরিবর্তন করতে হবে , কিন্তু চাইলে অল্প অল্প ভালবাসা দিয়ে সব শিখান যায়. মায়া ,মমতা আর ভালবাসা।  ছায়া হয়ে দেখবেন োর কি শিখছে আপনার কাছ থেকে। 

Love , Respect and good message

সম্পর্ক যেমন হোক না কেন একটা তো মানে আছে? সেটা বন্ধুত্ব , পরিচিত কেউ , কাজের বুয়া , ননদ , শাশুড়ি , স্বামী।  তাদের সাথে সব সময় ভাল সম্পর্ক থাকবে এটা হয়তো সময় আর পরিস্থিতির জন্য এক থাকে না।  মনে কর আমি তোমার বাসায় বেড়তে যেতে চাই।  তুমি বললে যে , আমি তোমাকে তোমার পছন্দের এবং আমার পছন্দের খাবার খাওয়াব। তারপর আমি তোমার বাসায় গেলাম , খেলাম চোলে আসলাম।  এবার আমার পালা , কিন্তু আমি তোমার জন্য কিছু করলাম না।  নেক্সট দিন কিতুমি আমার জন্য করবে রান্না। হয়তো করবে না , করবে।  ইটা নির্ভর করে তোমার শিক্ষা আর নিজের তৈরী করা সংস্কিতি উপর।  আমার কাছে তোমার প্রয়জনীয়তা কি ফুরিয়ে যাবে ? না থাকবে।  কিন্তু তুমি তো আর হেল্প করতে চাইবে না।  আবার করবে যদি তুমি সু -ও স্ব শিক্ষিত বিবেকবান হাও।  এ জন্য যে অনেক কিছু করতে হয় তা না।  তোমার মৌলিকত্ব ধরে রাখ।  যা তুমি তার মাঝে থাক।  কে কি করল সেটা দিয়ে আমার প্রতিদান নির্ভর করবে না।  তুমি যা তাই থাকে।  ভাল চিন্তা সব সময় ধরে রাখ।  কে কি করল তার প্রতিদানের জন্য যেন তুমি বসে না থাকে। প্রয়জনে তাকে সাহায্য কর।  পরিবতে সে যেমন ভাল মেসেজ পেল এবং পাবে। তোমাকে কখন ও ফিরিয়ে দিতে পারবেনা।  ভাল এনার্জি কখন ও বিফল হয় না।  এভাবে একটা ভাল সম্পর্ক দীর্ঘ স্থায়ী হয়।  তুমি যখন কারো সম্পর্কে খারাপ পোষণ করছ, তখন তোমার এনার্জি কোর্স হচ্ছে সেটা তোমার কর্মে যোগ হচ্ছে এভাবে প্রতিদিন খারাপ ভাবনা দীর্ঘদিন তোমার মধ্য এনার্জি দিচ্ছে।  ফলাফল তুমি যা ভাবছ তাই খারাপ এনার্জি দিবে।  ভাল ভাবনা তোমাকে উৎসাহিত করবে নতুন কিছু করতে।  নতুন ভাবে সম্পর্ক রিপেয়ার করতে।     

Saturday, 5 October 2019

Colorful life

মুখরিত জীবন গল্প গুলা

৪০ বছর পর আমার শাশুড়ির মামাত বোনের সাথে দেখা আমার বাসায়। ছোট বেলার সাথী কে এত বছর পর দেখা।  কারো মুখ কেউ চিনতে পারছে না।  হাসি মাখা মুখ সুদু ২জনের।  আমি দেখছি মুখরিত জীবনের মাজে কেউ কাউকে চিনতে পারছে না. আবার হাসি টুকুই সম্বল। ওদের নানুর বাড়ির গল্প গুলা পেতে বসেছে।  দীঘি পুকুর , বট গাছের গল্প।  শুনছি , বলছে অমুক মামা কোথায় ওই মামা কোথায় োর হারিয়ে পড়ছে।  অজানা গল্প গুলা জানছে ৪০ বছর পর।  জানা হল কিন্তু সব থেকে কষ্টের কথা ভালবাসার মানুষ গুলা না বলেই পরপারে চলে গেল।  দেখা হবে ওপারে যদি কোন অভিমান না থাকে।  ভাল লাগা জীবনে চাপা অভিমান থাকলে ভাল লাগে। এইতো জীবনের ভঙ্গিমায় দেখা হল ৪০ বছর পর।  এর মাঝে মাঝে বৌমাকে কত কথা বলছে। 

নাস্তা দিলাম।  খাওয়া যেন কিছু না।  ঘড়িরই কাটা যেন না যায় এই দোআ করছে হয়ত।  আবার ৪০ বছর পর দেখা হয়ত ভাবছে।  আমার ছেলে মেয়ে ২তাই লুটুপুটি করছে। একবার করে দেখছে আর বলছে তোমরা ওদের নিয়ে ভাল আছ্।  আমি ও ওদের গল্প এগিয়ে দিচ্ছি।  ছাদে গিয়ে ওদের আমার কবুতর দেখলাম।  োর খুব খুশি।  আমি দেখছি ৪০ বছর পর আপন কেউ কেমন করে কাছে টানে।  ভালবাসার বন্ধন এই জন্মে দেখতে পেলাম। 

পুরনো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে।
গান তা মনে মনে ভাবছি।

আবার দেখা যদি হল তবে প্রাণের মাঝে আয়।
ছোট জীবন। থাক কিছু মধুর র স্মৃতি। 

Friday, 4 October 2019

The hidden music of soul

সুর তুলে আজ ও এই মনকে ঘিরে।

প্রথম যে দিন সাগর দেখলাম।  বিশ্বাস হয় নি।  অদ্ভুত সুন্দর আর মায়া সমুদ্র কে ঘিরে।  ছোট বেলার স্বপ্ন জাল বুনা চোখের সামনে। চোখ ২টা  বন্ধ করে দেখছিলাম।  যা দেখছি তা কি সত্যি ! যে হাওয়া গায়ে এসে ধাক্কা দিচ্ছিল তা সত্যি অদ্ভুত। আজ ও মনে পরে আমি সমুদ্রের ঘ্রান খুঁজতে ছিলাম।  মনে হচ্ছিল সমুদ্র ছেড়ে কথাও যাবনা।  যদি আর না দেখা হয়।  অভিমান ছিল জীবনের উপর।  তা যেন আজ সমদূর সুখে পরিনিত হল।  জীবন যদি না দৌড়াতে হত আমি হয়ত সে দিনে বসে থাকতাম।  সমুদ্রের পাড়ের হাওয়া আর হিমেল ঠান্ডা আজ ও দাগ টেনে আছে।  গাংচিল গুলি যেন স্লোগান দিচ্ছিল।  দেখা হবে আবার বন্ধু বলে।  আমি ছুঁয়ে ছুঁয়ে সে দিন ফায়ার যেতে চাই।  অস্থির ভালবাসায় কারণে অকারণে ফায়ার যাই আমার সমুদ্রের গানে গানে। ২ পাতে পানি আছড়ে এসে পড়ছিল।  আমি আকাশের দিকে তাকিয়ে কারো ও কথা মনে করছিলাম।  কিন্তু ভাললাগা ভালবাসার মানুষ তো শুধু পরিবারের মানুষ গুলা।  ওদের কথা মনে পড়ছিল।  আমার ছোট বোনটা সমুদ্রের জন্য পাগল ছিল।  ও আর আমি কত শত গান গেয়েছি কত শত রাতে তখন ওর কথা মনে পড়ছিল।অতীতে ফিরে গেলে আবেগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায় !

To build a genius child.

Naba is my first child .  I live a city where no one is with you. you can't understand the physiology of a baby. I was so simple of rearing my child. when my child was 8 months I saw my baby is not so deliberate to everything . I got shock . why she was so indifferent. I saw she pond only laptop or mobile. than, I realized only giving gazate made my child dumb . I discussed it with my husband. he supported me. I took one step ahead . I bought some colorful books and toys . whenever I had time would play with her . After 1 month I saw she was not pond with gazate . she liked to say somethings name and tried to communicate with us. We tried a lot to be free for anything she wanted.   Than , I tried to gather all other baby's in my residence . the come to my home and played with her. it was really a nice idea. she played and communicated. she tried to talk with others. After few days my worries vanished .
I gave her lot of times. at the age of 4 .she can write and  read. I did not give her schooling rather emphasaize on every day learning and enjoying her life.

so to build a genius child my suggestions are
1. don't give gazate
2. give them colorful books and toys.
3. give them activity based toys .
4. engaze them with works.
5. make them always fun.
6. feed them with their own hands
7. sleep them well.
8. listen song or cultural or religious based songs
9. give specific family time.
10. encourage to gather with others .
11. go out for nature.
12. learn them why they should build network.
13. everyday learning is also important .
14. don't encourage pampering .
15. give them always love.
16. when they are wrong give small tight punishment like not giving toys or favorite  foods.
life is simple. so they needs only love and care. that's how ur child will be genius.  

Sharodio suvecha 2019

শারদীয় শুভেচ্ছা

বাসার পাশে কাশ ফুলে ছেঁয়ে গেছে।  শখ করে শাড়ি পরে গেলাম বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরতে। জায়গাটা এমন যে আসে পাশের বাচ্চা মা বাবা রা ছুটে আসে।  বাসার সামনে পিছনে কাশ ফুলে ছেয়ে গেছে।  সাদা মেঘের সাথে ওদের সখ।  আমি আমার বর ২জন বাচ্চাদের নিয়ে একটু সামনে গেলাম। পরিচিত ভাই বোনদের সাথে সাক্ষাৎ।  আরো সামনে গিয়ে দেখি সবাই খেলছে।  আমরা ও ওদের নিয়েবসলাম। নাবা কে কয়টা ফুল ানে দিলাম।  ওর ভাল লাগলো ফুল গুলা। আর মধ্যে আমরা কয়টা ছবি ও তুললাম।  হুম মন ভাল করে দিল সামান্য হাঁটা আর প্রিয় মানুষের সাথে বিকালটা।  বলা হয় না ভালবাসি কত এই ছোট সংসারকে।  আমাদের ঘর আমাদের বাচ্চারা এইত আমরা। 

সারা শহর জুড়ে ছাড় চলছে।  ফ্লাট ৫০% ছাড়।  বাচ্চাদের কাপড় কিনতে ইচ্ছা করল।  কয়দিন হল নাবা র একটা স্কার্ট বানাবো কাপড় কিনব কিনব করে কিনা হচ্ছে না।  সে দিন তালতলা গেলাম কিন্তু মবাইল আর অন্য কাজ করে তেমন বাড়তি টাকা ছিল না।  সিটি সুপার মার্কেট গেলাম।  ওঁৎ মানুষের ভীড় নাই।  আমরা যে দোকানে যাই খুব কম দামে জিনিস দিচ্ছে।  জাপানি একটা দোকানে ঢুকলাম মিনোসি নাম তার।  ছোট ছোট জিনিস আর এত ভাল লাগে।  পুতুল হেড ফোন , চামচ , টিফিন বাক্স, সানগ্লাস, রং কত কি ! কিছু কিছু জিনিস বাসায় আছে তও মনে হয় নিয়ে আসি।  বাজার করা লোকদের এমন হয়।  কিছু কিনা কাটা করে বাসায় আসছি।

পাড়ার 'প্রতিমা এখন ও রং দে নি।  কাদা মাখানো।  বচ্চার উঁকি দিচ্ছে কখন রং দিবে।  সাজানো বাকি।  ওদের জল্পনা কল্পনা কেমন হবে পেন্ডেল আর প্রতিমা। কেউ কেউ দূর থেকে সাইকেল নিয়ে এখনই আসা শুরু করছে দেখতে কেমন করে বসান হল. ওদের কথা শুনছি , একজন বলছে গত বছর আমি একে দেখিছি ওকে দেখিছি। টিভি তে যারা গান করে তারা আসে গান করে. কিনা কাটা করে।  সারারাত ঘুরে।  মা -বাবা র সাথে বাহিরে খেতে যায়. হুম আমি মন দিয়ে ওদের রং বেরঙের কথা শুনি। আর তো কোটা দিন আসমানে ঘুড়ি উড়বে। আমি আর নাবা দেখব আর মসীব কে দেখাব।
পূজা আসুক ওদের কাছে যারা বছর জুড়ে অপেক্ষা করে। 
ভাল থাকুক সবাই।

Wednesday, 10 April 2019

Bokul fuul... A morning flower

বকুল ফুলের আত্মকহন। 

শীত শুরু হওয়ার আগেই এই ফুল ফুঁটে। মায়া, শারমিন আর লতা একসাথে স্কুল এ যেত।   শারমিনের বাসার সামনেই ছিল বকুল ফুলের গাছ. প্রতিদিন শারমিন কে নিয়ে যাওয়ার সময় ওরা বকুল ফুল তুলতো।  নিজেদের নামের প্রথম অক্ষর লিখে যেত।  হই হই করে কে কত গুলা তুলে পারে তার প্রতিযগিতা হত. এই কাজটা ৫ মিনিটের মধ্যে করতে হত তা না হলে মায়ের বকুনি ছিল. এই তোরা প্রতিদিন এগুলা করে রেখে যাস আর আমাকে জার দিতে হয়. স্কুল শেষে যে যার বাসায়।  আবার পরের দিন লিখা। 

কেওড়া পাড়া পাশের এলাকা।  হিন্দু বেশি থাকতে ও পাড়ায় ফুলের গাছ থাকতোই। স্কুল ছুটি হলে মায়ের সাথে হাটতে জেট মায়ারা। ওরা ফুল কুড়াতো বাসায় নিয়ে এসে মালা করত. গন্ধে মো মো করত বাড়িতে।  ভাই বোনেরা মিলে পড়তে বসে খেলত। 

মায়া ছোট বেলায় একটা গ্রামে বড় হচ্ছিল।  পাশের বাড়িতেও ছিল বকুল ফুলের গাছ।  কুঁড়ে  নিয়ে পাতা দিয়ে পুকুরে ভাসিয়ে দিত।  না জানি মনে মনে কি বলত! আমার কথা কয় আমার সোনা বন্ধুরে।  
বন্ধুর হাতে বকুল ফুল দেখে মনে পরে গেল কোন একদিন মায়া আর তার বন্ধু যাচ্ছিল শহর থেকে দূরে।  গাছ টা  দেখে রিক্সা থামিয়ে নেমে পড়ল।  এক ঝাকুনি দিয়ে এক রাশি বকুল ঝরে পড়ল গায়ে , সাথে সেই মিষ্টি গন্ধ। জীবন কত মধুময়।  

হা হা হাসিতে মনে হল এই সুখ তুমি দীর্ঘজীবী হও. মন্দিরের ঘন্টা টাং করে শব্দ করল।  মনে হল পাহাড়ে প্রতিধ্বনি হয়ে ফায়ার আসলো। পিছনে থাকা বকুল ফুল গড়িয়ে পড়ছে।  ঝির ঝির হাওয়া বয়ে চলছে। 

আজ বৃষ্টি হোক এই বকুল ফুলের সাথে তুমি আমি গড়িয়ে যাব যত দূর যাওয়া যায়।  

Tuesday, 9 April 2019

Boisakh -A tale of hope..

💗💗💏বৈশাখের হাওয়া লাগলো গায়ে।

বৈশাখ আসার আগেই ভাল লাগা কাজ করে. এইতো ছেলেমেয়ে দুটা , জামা-কাপড় বড় আপা দিয়ে গেল।  এখন তো  আর ও তোড়জোড় করে ওই দিনটি উৎযাপনের জন্য তৈরী হতে হয়.
সকাল হলে সুন্দর মৃদু হাওয়া জানান দেয় , কালবৈশাখ যেন আসছে, এইবার বৈশাখ আসার আগেই ঝড় হয়ে গেল. শুনলাম মিরপুরের ছেলেদের সাথে অন্য এলাকার মেয়েরা আড়ি দিয়েছে।  মিরপুরে নৌকা নামাতে হয়েছে দিন দুপুরে পারাপারের জন্য। 

অনলাইন শপিং পেজ গুলা ওদের চূর্ণী, লাল-সাদা কাপড় আর পাঞ্জাবি উপডেট দিয়ে যাচ্ছে। এটা যে কত ভাল লাগে আপনি অর্ডার করার সাথেই বাসায় চলে আসে.
জীবনে কত রং। .
হুম , সকালে গান শুনছিলাম , বারি আছিচ লাগতি হুম , এই ধারতি,নাদিয়া ওর তুম.
জীবনের কত রং।
এক মা কাপড় কিনছিলেন আমি পাশে  দাঁড়িয়ে।  ৩ তা কাপড় ৯০০ টাকা। কিন্তু উনি দিবেন ৬০০ টাকা। হুম অনেক্ষন কথা বলার পর , ছেলেটি পাশের ছেলেটিকে বলছে, দিয়ে দে, গরিব মা. আমি ভাবছিলাম, ছেলের মনে লাভের চেয়ে মায়া হয়েছে।  মা কে মা-ই থাকতে হয়. সব জায়গায় মায়ের কদর আছে।  মাকেও ভাবতে হয় সন্তান ছাড়া  ভাবা নির্বোধ।

এই আমি কারো স্বপ্ন , কারো সাধনা , কারো ঘুম। বৈশাখ আসে আমাদের জন্য।  টেবিলে আলুর বর্তা আর ইলিশ ভাজা থাকলে যে হাসি তামাশা হয়. তা হয়তো অনেকের কাছে স্বপ্ন তুল্য। 
বৈশাখ আসুক বার বার যুগ যুগ  ধরে. 

রমা

 রমা  আমার বয়স ৩০। গত ৩০ বছরে ৪টা বড় বড় Certificate আছে আমার । আমার অনেক বড় পাওয়া আমার ছাত্র জীবনে রমা মেম কে পাওয়া। ক্লাস ৪ থেকে তিনি আমাদে...