Wednesday, 15 April 2020

DR. MOIN

এ এমনই মৃত্যু। ভালোবাসার মানুষকে শেষবারের ছোঁয়ায় মানা। দেখতে হবে দূর থেকে। যার হাতে কতো মানুষের শেষ বিদায়, সেই ডা. মইনের বিদায়ে জন সমাগম হয়তো নেই..! কিন্তু গৌরব তাতে কম কি সে...!!

আজ সারাদিন বৃষ্টি হওয়ার কথা।  গুড়গুড় শব্দে আমার বাড়ি মনে হচ্ছে কালবৈশাখী উড়িয়ে নিবে।  খবর তা যখন পেলাম তখন মনে হল ডাঃ মঈনকে আমি চিনি।  একজন মানবিক ডাক্তার হওয়া কি যায়! যায়!যায়! কোন কোন সময় অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার ভিড়ে সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার কে আমার ভাল লাগে।  অগোছালো শার্ট পেন্টের ভিতরের মানবিক মানুষ ওরা।  

আমার ডান হাতে একবার একটা আস্ত বিশাল টিউমার হল।  যেটা ভেঙে রক্ত পড়ত যখন তখন।  খুব বিশ্রী একটা ব্যাপার ছিল।  পরীক্ষা দিব কি দিব না এই নিয়ে ২ মনে ছিলাম। যদি লিখতে বসি আর ওটা ফেটে গিয়ে রক্ত পড়ে।  এক রাত্রে আমার এক বন্ধু বাসায় এল একটা কাজ দেখে নিতে।  আমি ওরে দেখাচ্চি পদ্ধতি টা।  ও রাতে প্রচুর বৃষ্টি।  ও বসেই আছে।  নাস্তা খেয়ে পদ্ধতি দেখছে।  হটাৎ হল সেই বিপদ।  ওটা ফেটে রক্ত।  জামা টেবিল ওড়না আর ফ্লোর। . রক্ত পড়ছেই।  তা আর থামানোর উপায় নাই।  এমন বৃষ্টি রিকশা নাই।  মা তো অনেক গালাগাল করছে , কোথায় যাবে এই মেয়েকে নিয়ে।  আমার মা , অনেক আদর দিয়ে বড় করেছেন আমাদের।  উনি  তো প্রায় খেল হারিয়ে ফেলেন।  
 আমার বন্ধু দ্রুত আমাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে।  ছাতা এক হাতে আর আরেক হাত কোনো রকম কোন একটা কাপড় পেঁচিয়ে রওনা হলাম ওসমানী হাসপাতালে।  কোথায় যাব , কোন দিকে যাব এত বৃষ্টি মানুষ জন কে কার দিকে তাকাচ্ছে  তার কোন ঠিক নাই।  যে বললাম াক জনকে আমরা উনিভার্সিটি স্টুডেন্ট।  কথা  শেষ না হতেই একজন ইন্টার্ন বলল  চল , মেডিসিন বিভাগে যাই।  ডাক্তার আলমগীর আছেন।  আমি ভাবলাম খুব বিজ্ঞ , রাগি অথবা  হুতুম পেঁচার মতন কেউ হবে।  
আমার হাত দেখে বলল এত ভয়াবহ অবস্থা  . এখন এটাকে ফেলে দিতে হবে।  তা না হলে স্প্রেড করবে।  সাথে সাথে আরো কয়জন ইন্টার্নকে বললেন , শুয়ে দাও।  আর প্লেটটা রেডি করে দাও।  ডাক্তার আলমগীর পুরাতন হিস্রটি নিলেন।  
বললেন এই দামি অসুখ কথা থেকে নিলে ? আমি বললাম জানিনা।  তবে কয়দিন আগে লোহার একটা স্কেল দিয়ে স্টুডেন্টকে আঘাত করতে গিয়ে ওটা আমার হাতে ব্যথা পেলাম।  ডাক্তার আলমগীর হাস্তে হাস্তে পুরো ওয়ার্ডকে নিজের বাড়ি আবহ করে দিলেন।  
ওই রাতে - তখনি আমার হাতের টিউমারটা সরানো হল কোন এনেস্থেসিয়া ছাড়া।  চুরি তা দিয়ে মাংস তা যখন কাটা হল আমার মনে হল আকাশ ফেটে আমার মাথায় পড়ছে।  আমি না পারছি চিৎকার দিতে না পারছি নড়তে।  ডাক্তার আলমগীর গান গাইছেন আর ওটাকে পুড়াচ্ছেন। আমি আজ ও ওই সুখ স্মৃতি খুঁজে বেড়াই। 
তখন ই বুজলাম একজন মানবিক ডাক্তার আমাদের কত দরকার।  
আমার ডাক্তার ভাই বোন আজ যুদ্ধ করছে ওদের পাশে কেউ নেই।  ডাক্তার মঈন যেন বুকের ভিতর আঁচড় দিয়ে গেল।  পিপিপি ছাড়া এত সাহস কি করে পায়! রোগীর জন্যে জীবন দিলেন।  তোমার জন্যে শ্রদ্ধা।  সালাম হে ভীর। 

Tuesday, 14 April 2020

শিরোমহীন -

শিরোমহীন -
রোদ্দুর বলেছিল লাল টিপে তোমাকে ভীষণ মানাই। তারপর থেকে মেয়েটা কপোলে সূর্য ওঠায়। জানে, ছেলেটার চোখভরা মুগ্ধতা আর মনভরা মায়া।
ভাবছি এই কোয়ারেন্টাইনের দিনগুলোতে এক দিস্তা খাতা নিয়ে বসবো৷ ধুলোপড়া মলাট মুছে রোদ্দুর রোদসী আরেকটু ঝালিয়ে নিক স্মৃতি বিস্মৃতির ডালা। আরো একটু চাঙ্গা হোক কিংবা নতুন করে মেলাক তারা এক জন্মের হিসেব-নিকেষ। বেঁচে থাকলে দেখা হচ্ছে আগামী বইমেলায়।
খুব অদ্ভুতভাবেই ঠিক আজই ভাবছিলাম বড্ড দেরী করে, বহু স্থানে, বহু জীবনে, বড্ড দেরি করে এসেছি। প্রাপ্তি বা প্রত্যাশা কিছুই নেই তাই। এত বছর আগেও বুঝেছিলাম, এতবছর পরেও, আগামীতেও।
আজ ভোরের আলো জানালার কাঁচ ভেদ করে মুখে লেপ্টে গেলেও চা খাবার বেদনা তাড়িয়ে বেড়াবে না।  আজ জর্ন্মদিনটা হিসাব নিকাশ করার কি খুব দরকার ! স্বাধীন গন্ধ হীন আর স্মৃতি নিয়ে সময়টা যাক ছুতে , লাল টিপ্ আজ পর্ব বলে মনে হয় না, আবার পড়তে পারি।  🙂

It is all about Problem



Relative means changeable, temporary.  It changes when other things change. On the other hand absolute means unchangeable. It is permanent and timeless. Problems become  relative in nature when these are influenced by human perceptions. Moreover, during a problem, folks remain in crowd, which also creates the psychology for that time. Especially, panic , fear, curiosity shapes the time. The emotional brain takes over the rations brain for a certain period of time and that influences the true aspect of a problem. On the other hand, when humans start to move from emotional brain to rational brain over course of time, they get closer to the solution.

The way we see a problem is a Problem.----Stephen R. Covey
Perception plays a great role in molding our sense of a problem. if our way of seeing a problem is wrong, there is surely no possibility that we can reach to solution of that very problem. Seeing is like maps and if you see wrongly, your destination will certainly be wrong. Every individual’s way of seeing is different. That is why there are multiple ways of explaining a problem .This attitude can increase the level of the  complexity of the problem. Moreover, at the same time one thought, opinion or view may stand out as the solution for the problem.
As sense of problem develops from multiple views and perceptions, it true nature is influenced by dozens, hundreds or thousands of paradigms. Among those, as time passes, one true paradigm is found to be the solution to the very problem.
Time plays an important role in creating the perception of a problem. Many problems we find at a time and then we find it vanishes as the time passes. A same problem is not deemed to be same everywhere, meaning that perception of problem changes as places change. Another important factor which attributes is that human’s emotions and felling originating thereby. For example, humans perceive same problem differently in different emotional states. There can surely be significant difference between a happy man’s perceiving a problem and an unhappy man’s one. Moreover, group plays a vital role. For example, an individual behaves totally differently when he perceives the problem singly and when he discusses the problem in a group. A group’s motivation can deviate him from the true attributes of a problem.

Nature is absolute. If any problem occurs, nature corrects itself. Human endeavor eases or worsens the remedy. The characteristic of nature is linear. The paradigm of nature is single. Nature follows the straight path always rather than the curved multiple ones. Every human created system also follows natural laws. For example, all the natural beings are honest and truthful. Human’s created systems are also like that. Those are based on truthfulness, honesty and other virtues. if anyway these systems get corrupt , we see the standard from the deviation, sometimes collapse.
Now the question is whether you will be rules by the problems…or you will command the problems. If humans fail to find out the true paradigm of the solution because of their ignorance or wrong perception, they tend to be commanded by the problems for long. Sometimes it creates an imbalanced situation meaning that some people get benefitted for nurturing a problem for long and that is why they do not want it go. On the hand, another group surely suffers or incurs a loss in terms of any forms.

Any problem never stays for long. It must go today or tomorrow. But it is the human behavior which determines whether it will be short living or long living. If it lengthens, corruption fills up the vacuum. Again nature solves it in its own way and balances again.

Sunday, 12 April 2020

কত দিন ধরে ভাবছি

কত দিন ধরে ভাবছি , অনন্তপুরে একটা ঘর করব।
বলা বলা করে বলা হয়না তোমাকে।
এইযে আমরা ৪ কামরার ঘরটাতে থাকি ,
এখানে আমার মন বসে না ,
আমার অনন্তপুরে যেতে মন চায়।

ঠিক মাঠের ওপারে শিমুল -কদম গাছের পাশে
আমার ছোট ঘর করব।
একটা কামরা থাকবে।
তুমি আমি বসে নদী দেখব ,
মাছ ধরা দেখব ,
পাশের মানুষের সাথে হাসাহাসি হবে ,
দূর থেকে সূর্য্য ডুবা দেখব ,
নদীতে গোসল করব ,
আমাকে একটু সবজি করতে দিও।

আমাকে নিয়ে একটু তামাশা কর ,
আমি অনন্তপুরে থাকতে চাই।
তোমাকে সাথে নিয়ে থাকব।
তোমারতো আমাকে বোকা আর হাদারাম মনে হয়।
একবার ঘরটা করে নেই ,
ওখানথেকে আমাকে আর
এই ৪ কামরার ফ্লেটে কখন ও আনতে পারবেনা।

আজব নাহ

আজব নাহ !
বৃষ্টি এলে কফি আর না এলে চা ,
তোমার আকাশ জুড়ে - কোন এক ললনা।
রাঁধবে , গাইবে আর জগড়া করবে।
আজব ই তো !

তোমার আজব আজব কথা -
বিশ্ব দরবারে তোমার কত কদর ,
তোমার ললনা র ও কি তাই ?
আজব তো ! ওর তো কফি চা হলে দিন চলে যায়।

তোমাকে ভালবেসেছি তোমার অজান্তেই


তোমাকে ভালবেসেছি তোমার অজান্তেই ,
তোমার ছোট্র একটা ছবি দেখে ,
একটা হাতল লাগান চেয়ারে তোমার আটুসটু হয়ে বসে থাকা ছবিটা।
কিছু ছিলনা তেমন - একটা কাল গেঞ্জি ,
মুখ ভরা হাঁসি।

কয়েক রাত ওই ছোট্র্র ছবি নিয়ে হাতড়িয়ে বেড়িয়েছি ,
তুমি কি সত্যি তুমি ! এত হাসি নিয়ে কি করে থাক?
তোমার পিছনের বইয়ের তাক গুলা দেখা যাচ্ছিল।
আমি ভাবছি, এত বই ! এই ছেলে কেমন রে বাবা !
এত বই কেউ পরে?

কিছুদিন পর , তোমারদেয়া বইটা হাতে পেয়ে খুব আনন্দ হল ,
এত বড় উপহার , অনেক ভারী ছিল সত্যি বইটা ,
আমি আমার মনকে জিজ্ঞাসা করছি, কেন এত ভয় ?
যদি তোমায় হারিয়ে ফেলি !

তোমার রাত জেগে ইংলিশ ভেঙে আমাকে পোড়ানো ,
আমাকে হাসায়, আমি যত তোমায় শুনতাম , তত বেশি তোমায় ভাবতাম।
ফোনটা রেখে দিলে মনে হত , হারিয়ে ফেলেছি ভালবাসা। 
তত দিনে তোমার সাথে দেখা হয় নি , কিংবা দেখা হবে এটা ও আমরা জানতাম না।
কিন্তু , ভালবেসেফেলেছিলাম , অজান্তে , তোমার কাছে তো আমাকে দেখার কিছুই ছিল না ,
তাই , ভেবেছি , আমিই প্রথম তোমাকে ভালবেসেছি।
অদ্ভুত না ? তোমাকে না জানিয়ে ভালবেসেছি।  খুব। 

Wednesday, 8 April 2020

কথন

কথন
ছাদের পাশে একটু বাড়তি জায়গা ছিল লুকানোর মত. রিদি  কোন কারণ ছাড়া লুকাত।  আকাশ জুড়ে তারাদের সাথে নিত্য ওর কথা।  গাছের পাতাদের ধরে ধরে ওদের সাথে কথা।  সিঁড়িতে বসে সিঁড়ির ফাক গুলার সাথে কথা।  হওয়ার সাথে কথা।  রাজ্যের জমানো কথা বলে যায়।  ঘরে কারো সাথে কথা বলতে ভাল লাগে না।  অভিমান অনেক অভিমান রিদির।

পাশের বাড়ির চাচী এসে বলে , রিদি কি এত কথা বলে ছাদে ? বিড় বিড় করে ! আজব মেয়ে।  ওরে ডাক্তার দেখাও।  রিদি বুজে সবাই ওকে দেখে রাখে , যেন মনে হয় সবাই বুজে গেছে , ওর পালানোর কথা।  ও পালিয়ে যাবে সবার থেকে দূরে কোথাও।
কার ভাল লাগে প্রতিদিন পড়তে , আর জগড়া শুনতে ! নানু বাড়ি যাচ্ছে , বাবা -মা জগড়া করে যাছ্চে বাসে।  শেষে, এক ছেলে চিপস কিনে রিদি কে দিয়ে বলে , শুনে তোমার মা -বাবা কে বল , ওদের জগড়া সবাই শুনতে পায়।  সে দিন ওর অনেক লজ্জা লাগছিল।  মনে হয় সে দিন প্লেন করে ও চলে যাবে।
রিদির বাবা মনে করে - নানা বাড়ির সম্পদ যেন রিদির বাবার।  আর রিদির মা ভাবে - রিদির বাবা -আব্বাস - ওরে কিছু দিল না।  না সুখ না শান্তি।  কারনে অকারণে লেগে থাকে।

রিদির বড় ইচ্ছা - সমুদ্র দেখবে।  কিন্তু বলতে তো পারবে না।  োর তো ওকে মারবে না হয় ওরে বকবে।  কি দরকার ওদের মাঝে নিজে কে রাখার।  তাই ওর ভাবনা ও দূরে কোথাও চলে যাবে।  অনেক দূরে।  এখানে কোন আদর নেই।  যেখানে যাবে কেউ যেন ওরে না ফিরিয়ে আন্তে পারে।

রিদির বন্ধু নাই।  আছে শুদু দুষ্ট কিছু খেলার সাথী।  খেলতে গেলে োর শুদু ওরে নিয়ে হাসাহাসি করে।  হাস্তে হাস্তে গড়িয়ে পরে।  রিধি ভাবে ওদের ধরে কষিয়ে কয়টা মার্ দিবে।  পারে না।  তাই খেলতে যাওয়া হয় না।
বাবা মা জগড়া করলে ও লুকিয়ে পড়ে।  ছাদের কোনায় গিয়ে বসে থাকে।  আর কথা বলে।  অনেক কথা , বলতে বলতে ঘুমিয়ে পড়ে।
প্রতিদিন যায় আর ওর বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার প্লেন বাড়তে থাকে।  ওর একা একা চলা অভ্যস্ত হয়ে গেল।
এখন আর ও কাউকে ভালবাসে না। ছাদে যায় না , সিঁড়িতে বসে কান্না করে না , গাছের পাতা গুলো কে আর গুনে না।
একই ক্লাসে ২বছর পড়ে ওর নতুন বন্ধু হয়েছে।  তিন্নি - ওর বাবা -মা ও জগড়া করে দিন রাত সবসময়।  রিদিকে এসে ও প্রতিদিন বলে - আজ কি হল কাল কি হল।
তিন্নিকে রিধির অনেক ভাব।  সব সময় ওরা মানিকজোড়।  গলায় গলায় ভাব।  এখন আর ওর কোথাও হারাতে ইচ্চা হয় না।  তিন্নিকে ওর সময় দিতে বেশি ভাল লাগে।  যদি ও রিধি বাবা- মার্ সাথে তেমন কথা বলে না।  োর জগড়া করলে ও বাথরুমে বসে থাকে , গোসল করে , আয়নায় নিজেকে দেখে।  নতুন কোন বই নিয়ে হারিয়ে যায়।
রিধি ভাবে , বাবা -মা কেন এমন হয় ! োর বড় হবে কবে ?

Tuesday, 7 April 2020

মাসুদের মেয়েরা।

মাসুদের সাথে শেষ কথা হয় গত ৫-৬ মাস হয়ে গেল।  আমার সহযাত্রী ছিল সে।  আমাদের পরিচিত রুদ্রের খোঁজ নিতে শেষ কথা হয়।  আলাপের শেষে বলছিল ১১লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়েছিল পুলিশের চাকরি তা পেতে।  আমি বললাম তুমি কি সব টাকা পরিশোধ করেছ? উত্তর টা দিল না।  বুজে নিলাম অনেক চাপে আছে।  শেষে জিজ্ঞাসা করলাম , তোর মেয়েদের সাথে কবে দেখা হয়েছিল ? বলল - গত ডিসেম্বরে ছুটিতে। 
মাসুদের বৌ ২ মেয়ে নিয়ে কুমিল্লায় থাকে বাপের বাড়িতে। মাসুদ চাকরি করে চট্রগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে।  খুব চালাক নয় ছেলেটা। অনেকের সুবিধা করে দিয়ে ও নিজে কিছু করতে পারল না।  বাবা -মা থাকে কুষ্টিয়ায়।  ওদের ওষুদের টাকা দিয়ে বৌকে সামান্য কিছু টাকা দিলে ওর পকেট প্রায় ফাঁকা পরে থাকে।  মাঝে মাঝে রুটি ডিম্ খেয়ে সপ্তাহ পার হয়ে যায়। 

রোজিনা কে বিয়ে করে মোটামুটি বাবা -মা থেকে বিচ্ছিন্ন।  প্রেমের বিয়ে মেনে নিতে ওদের খুব অনীহা।  যে মাসুদ প্রেম করে বিয়ে করেছিল সে হয়ত ভাবেনি , সামনে দিন গুলোতে সময় আরো খারাপ হবে।  হজ্ব করে বাবা তার সব সঞ্চয় শেষ করে।  বোনেদের জামাইদের কাছে ঋণ নিয়ে এই চাকরি টা জোগাড় করে।  যদি ও অনার্সে ফাটাফাটি রেসাল্ট ছিল।  দেখতে লিকলিকে হলে ও মনের দিক থেকে মাসুদ মাসুদের মতোই। 

দিয়া আর রিয়া ওরমেয়ে ২ টা। বাবা কে কাছে পেতে ওদের কত বাহানা।  দিয়ার বয়স ৬ আর রিয়ারর বয়স ৪।  দেখতে ফুটফুটে সুন্দর।  মেক বায়না ধরে কখন বাবাকে দেখবে ইমো তে।  যখনি সময় পে ওদের কে ইমো তে দেখা ওর আর একটা কাজ। 
দিয়া বাবাকে বলে বলতো বাবা , পাখি কেন ডাকে ? ওর উত্তর - োর ওদের বাবা কে ডাকে।  তাই োর ডাকে।  রিয়া তো ডাকে দেখে দেখে শিখে।

দিয়া কিছু খায় না যতক্ষন বাবা না বলে 'খাও'।  ওর বাবা হল ওদের প্রাণ ভ্রমর।  গুমাতে গেলে ইমোতে কথা বলে গুমাতে হয়।  প্রায় সময় ২ বোন মারামারি করে মোবাইল নিয়ে। 
সবার যখন কোয়ারেন্টাইন নিয়ে ব্যস্ত ঠিক অন্য দিকে ওর উপর দায়িত্ব সকলকে ঘরে রাখার।  যখনি ও ভাবে ২ মেয়ের কথা ২ চোখ  দিয়ে পানি ঝরে।  ওদের কি হবে যদি কোরনা আক্রমন বেড়ে যায়। 
একজন ডাক্তার যখন পিপিপি বলে চিৎকার দেয়।  তখন ওঁৎ শুদু ইন্সপেক্টর।  সব দেখেশুনে চুপ থাকা ছাড়া করার  কিছু নাই। 

বলেছিল , ছুটি দিবে , বাতিল করে দিল। মেয়েদের জন্যে কিছু জামা কিনিছে।  যাবার সময় নিয়ে যাবে।  কবে যে এই কোয়ারেন্টাইন সময় যাবে।  ওদের নিরাপদ রাখতে ওর প্রানান্ত চেষ্টা। 
আজ মাসুদের ডিউটি বটতলিটির এলাকায়।  সব দোকান বন্ধ আছে কিনা দেখতে হবে। 
মাইকিং করছে ঘরে থাকুন , নিজে নিরাপদ থাকুন , অন্যকে নিরাপদ রাখুন। 
বার বার মোবাইল খুলে দিয়া আর রিয়ার কেদেখে নিচ্ছে।  দিয়া আর রিয়া খুব বুচ্চে।  ওর বাবা বসে আছে দোকানের সামনে , আর বলছে দোকান খুললে আমাদের জন্যেই চকলেট কিনে বাড়ি চলে এস।  দিয়া রিয়া জন্যে নতুন করে ঘুম চোক নিয়েও ওঁৎ রাতে বসে আছে , সবার নিরাপত্তার জন্যেই। 

আজ পুন্নির বিয়ে


পুন্নি নামটা পুন্নিকে ওর বাবা রইসউদ্দিন দিয়েছে।  বড় আদরের মেয়ে।  একটা মেয়ে যার বুক ভরা ভালবাসা মেয়ের জন্যে।  যদিও ও মেয়ের মায়ের জন্যে তেমন টান নেই। ঝিলিক ওর মা।  পরীর মত সুন্দর মুখ।  কাঁচা মাটির মত মন।  কাজ করে স্বামী ছেলে মেয়েকে খাওয়ায়।  তবু তার দাম নাই।  রইসের কথা কাজ করে খাওয়াবি বলবি কেন? যখন রইস ভাল ছিল তখন করে এনে খাওয়াচে  না ? এখন ওর বুকে যক্ষা বেঁধেছে কাজ করবে না।  ওষুধ খাইয়ে ভাল হয়ে ও বসে আছে ঘরে।  এদিকে ঝিলিক এবাড়ি ও বাড়ি থালা ধুয়ে কিছু পানি ভাত আর মাস শেষে কিছু অল্প টাকা পায়।  ও টুকু দিয়ে ৪ জনের খাবার আনা সম্ভব না।  কারো গাছ কেটে , ঘর লেপে দেয়।  কিন্তু সবার তার দেহ খানাই পছন্দ।  এবাড়ি ও বাড়ি করে কয়েক বাড়িতে এ নিয়ে কানাঘুষা চলতে থাকে।  এ নিয়ে ঝিলিক ভাবে না।  গরিবের পেট লাথি খেলে ও মুখ বুজে করে যেতে হবে।  রইসের কানে উড়ে উড়ে সব কথায় ভাঙ্গায় রইসের ছোট ভাই গিয়াস।  গিয়াসের যে খুব লোভ ঝিলিকের দিকে।  তা তো কোন দিন পাত্তা পাওয়ার না এই গিয়াস জেনে বুজে ঝিলিকের পিছে লেগেছে।  করে এনএখাবাবে আবার ঘরে মার্ খাবে এ এক জীবন সওয়া হয়ে গেল ঝিলিকের।  ছোট ছেলেটা মাদ্রাসায় দিয়ে মাওলানা বানাবে ঝিলিক।  ছেলেটা কে খেতে দিত না হুজুরেরা।  কি জানি ভয়ে ছেলেটি আবার বার বার বাড়ি চলে আসত।  মুখ ফুটে মা কে  কিছু বলত না।  ঝিলিক আবার পাঠাত  মাদ্রাসায়।  একবার তো হুজুরের পায়ের নিচে বসে ছিল , হুজুর ই ছেলেটাকে একটু দেখেন।  সকালে যে দিয়ে আসল পরের দিন আবার চলে আসল।  ঝিলিকের বুজা হয়ে গেল যেমন করে হোক , হৃদয়কে সে মাওলানা বানাবে।  মেয়েটা বড় হচ্ছে।  মায়ের মত সুন্দর না হলেও মায়ের চেয়ে লম্বা হয়ে গেল এতটুকু ১৪-১৫ বছরে।  মেয়েকে নিয়ে কোথায় ও কাজে যেতে পারে না।  সবার চোখের সামনে ওদের নিয়ে থাকা ঝিলিকের থাকা সম্ভব হচ্ছিল না।  রইসুদ্দিন আর হিংস আর মারকুটে হয়ে গেল।  কোন এক অজানা ভয় ঝিলিকের পিছে পিছে ধাওয়া করছিল।  একদিন তুমুল জগড়া হচ্ছিল।  রইসুদ্দিন ৩ তালাক দিয়ে দিল ঝিলিককে।  জীবনের পদে পদে ধাক্কা খাওয়া ঝিলিক ২ ছেলে মেয়েকে নিয়ে চলে আসল ঢাকায়। মেন্দিবাগের এক চাপড়ি ঘরে ঠাঁই করে নিল।  বুক ভরে কেঁদে আর কি হবে ? জীবনের প্রবাহমান ধারা নিয়ে আসল নতুন মোড়ে।  রিদয় কে দিল গাড়ির হেলপার হতে।  আর ঝিলিক মেসে রান্না করে আর বাসার কাজ করে।  দিনটা নতুন করে ভাল চলছে ওদের।  
দিনযায়রাত যায় রইসুদ্দিনের কথা ভেবে ঝিলিকের।  কেমন আছে কি খায় ! এই ভাবনায়।  পাড়ার দোকানে বসে আড্ডা দিয়ে পান খেয়ে আসে ঝিলিক।  গল্প করে গ্রামের বাড়ির কথা, আত্মীয় স্বজনের কথা কিন্তু বলে না রইসুদ্দিনের সাথে তার ছাড়া চারি হওয়ার কথা।  যে কথা তার বুকে সবসময় তীরের মত বিঁধে সে কথা বলে সে কেমন করে।  একটা হলুদ রঙের ৩পিচ্ পরে কাজে যায় মেয়েকে ঘরে রেখে।  মাসে পাশে সবাই পুন্নিকে শাসনে রাখে।  পুননি ও কম না বরিশালের মেয়ে ছেড়ে দেয়ার মত মেয়ে কি ও ! হুম ! যে যাই বলুক না কেন মুখে উত্তর রেডি।  একদিন গিয়ে দেখি রান্না করছে মাটির চুলায়।  ভাল রান্নার গুন্।  নোয়াখালীর খালাম্মা জিগায় , ও চেরি তুই কি নামাজ কালাম পারিস।  উত্তরে বলে , বিয়ার পর শিখে নেব ানী। . এখন না পড়লেও চলবে মা বলেছে।  তা নামাজ কালাম না পারলে তোমারে কেন নিবে পোলা? শুতে আর ঢং দেখতে? পুন্নির উত্তর , ও লো বুড়ি তুমি যে নামাজ কালাম থুয়ে সিনেমা দেখ কাগা কি বাহির কইরা দিচ্ছে তোমারে? আর কোন প্রতি উত্তর পাওয়া গেল না। 
দিন কয়েক যাওয়ার পর , পুন্নির খুব মোবাইলের শখ।  মায়ের হাতে ধরে পায়ে পরে মোবাইলের জন্যে।  জীবনের এই সময় মোবাইল যেন গলার বিষ।  অনেকবলে মেসের ছেলে একটা ভাঙ্গা মোবাইল দিল ঝিলিক কে।  মা ওঁৎ বুজে না।  ঢাকায় যে যে আত্মীয় আছে সবার খোঁজ নেয় এই মোবাইল দিয়ে।  কেউ পাত্তা দেয় আবার কেউ দেয় না।  এ নিয়ে ঝিলিকের মাথা ব্যথা নাই। 
একদিন চাচাত বোনের বাড়ি মিরপুর যায়।  খুব সুন্দর করে সাজুগুজু করে।  কিন্তু ফায়ার এসে আর কারো সাথে কোন কথা বলল না। 

এক দিন রাতে পুননি বলে , মা আমাকে বিয়ে দাও।  বিয়ে না দিলে আমি মারা যাব।  ছেলে পাবে কোথায় ? এদিকে মেয়ে যে এত বড় হয়ে যাবে ঝিলিক তা বুজতে পারছিল না।  রইসুদ্দিনের একটাই মেয়ে।  তাকে কি জড়তার সাথে বিয়ে দেয়া যায়? যায় না ! ঝিলিক ভাবলো মেয়ে বুজি এমনি বলছে।  কদিন পরে আবার মেয়ে বলল মা আমাকে বিয়ে দাও।  না হলে আমি মরে যাব। 
ঝিলিক েকে বলে ওকে বলে কিন্তু একটা ভাল ছেলে পাওয়া যায় না।  সবারই ২-৩ তা বিয়ে।  লিয়াকত একদিন এই বস্তিতে এসেছিল কাঠের কাজ কোরতে।  পুন্নিকে তার ভাল লেগে গেল।  লিয়াকতের বাড়ি নাকি নন্দদিপাড়া।  এক দিন ৪-৫ জন মহিলা আসল পুন্নিকে দেখতে।  দেখে ৫০০ টাকা দিয়ে গেল।  বুজল যে মেয়ে তাদের পছন্দ।  বলে গেল , লিয়াকত কাজের বেলায় কাজ করে আর ঘুমালে ওরে জাগান যায় না।  নেশা করে।  আগের বৌ ছিল ২ তা।  ওরাই চলে গেছে ওরে ফেলে।  নেশা করলে ও আরো হামলে পরে বৌদের উপর।  আশেপাশে সবাই লিয়াকতের হাত থেকে বাঁচতে চিৎকার দেয়া।  তুমি অল্প বয়সী মেয়ে তোমাকে ও ভালবেসে নিয়ে যাচ্ছে।  বসে বসে খাওয়াবে।  লিয়াকতের নানী আর বোন আসে বেশ কয়েক বার দেখে বলে গেছে , পুননি তুমি ভাইকে ভালবেসে কাছে টেনে রেখ। 

পুন্নির মনে ফাগুনের হাওয়া।  যারা ওরে ওখানে দেখতে পেত না তাদের ও ওর জন্যে মায়া হয়।  কত গল্প গুজুব ওরে ঘিরে।  মনে হচ্ছে ওরাই বুজি ওর আত্মীয়।  সবার চোখে পুননি যেন ভুল করছে।  অথচ ও র কথা- ও বিয়ে করবেই।  এক দিন ছেলের নানী আর ঝিলিক হাটে  গেল ৩০০০ টাকা নিয়ে বিয়ের বাজার করবে।  এক বস্তা ভরা চাল, মুরগি, মসলা , গুঁড়া দুধ ,আর ও অনেক বাজার অন্লো।  খুলে খুলে দেখাচ্ছে মেয়েকে।  বলছে তোর বাপকে ফোন দিয়ে বল , কি কি করলাম।  পুন্নির উত্তর - হেকি তোমারে টাহা দিসে যে জানামু ?
বৃহস্পতিবার বিকালে সবাইকে নিয়ে গায়ে হলুদ করল , সবাইকে ডেকে ডেকে ফিরনি দিল খেতে।  সবাই মাইল নাচলো।  শুক্রবার সকালে ফোন আসলো থানা থেকে , রিদয় পকেট মারতে গিয়ে ধরা খেল। পুলিশি হেফাজতে।  দুপুর ১১ তখন , ঝিলিক ভাবলো পুন্নিকে বিয়ে দিবেই।  সবাইকে ডাকল , দেয় গো তোমরা পুন্নিকে গোসল দাও।   সবাই মিলে গোসল দিল গান  করল।  পুন্নিকে কাপড় পড়ান হল।  বিকাল বেলাতে সবাই রান্না করতে বসল।  রান্না হচ্ছে আর সবাই কানাঘুষা করছে।  তাতে ঝিলিকের  কিছু যায় আসে না।  রাত ৮ টার দিকে বর আসছে , একটা cng করে সাথে বন্ধু আর নানী।  লিয়াকত হাটতে পারছে না নেশা করে বুদ্ হয়ে হাটছে।  পাড়ার ছেলে মেয়েরা গেটে দাঁড়িয়ে আছে।  ছেলে খুঁড়ে খুঁড়ে হাটছে আর পুননি পুননি বলছে।  সবাই তো ছেলেকে এভাবে দেখে ঝিলিক কে বলে , ছেলে নেশা করে বিয়ে করতে আসছে।  দৌড় দেয়  ঝিলিক  লিয়াকতের কাছে , কোলে করে নিয়ে আসে ঘরে। তেতুল পানি লেবু পানি দিয়ে বমি করায় ঝিলিক।  মেয়েকে আর এক ঘরে সাজতে দিয়ে আসে।  কাজী চুপ করে বসে আছে , পরিস্থিতি শান্ত হতে হময় লেগে যায় আরো ২-৩ ঘন্টা।  লাল বেনারসি  জড়িয়ে বসে আছে পূর্ণি।  পাশে লিয়াকত।  ঝিলিক মেয়ের জামাইকে একটা ঘড়ি আর গোটা কয়েক শত টাকা তুলে দেয় যা সে সবার কাছ থেকে সাহার্যের জোনীয় তুলে ানে।  বলে , আমার পূর্ণিকে খেতে দিও ,  মের না।  মারলে মেয়েকে আমি নিয়ে আসব।  আর দিব না।  লিয়াকত কি বুজল তা বুজা গেল না।  

Monday, 6 April 2020

অপেক্ষার প্রহর

অপেক্ষার প্রহর
 বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা ছুঁই ছুঁই , চোখে তেমন একটা দেখতে পান না এলেন ভাই।  এলেন ভাই অনন্তপুরের স্মার্ট ব্যক্তি।  যিনি সবার সাথে সমস্যা ও সমাধান নিয়ে কথা বলেন। সবার বিপদে একই দাঁড়িয়ে যান।  নিজের কিছু না থাকলেও অন্যের বিপদে বুক পেতে দেন।  সম্মান করেন যারা তাকে তার বিবিধ সমস্যার সময় পাশে থাকেন।  পাতলা লিকলিকে সরিলে একটা গেঞ্জি আর জিন্সের পেন্ট পরে তিনি চলে যান সবার কাছে।  আমাকে ভাবি ডেকে সালাম দিবেন মাথা নিচু করে।  বাংলা ও ইংলিশ মোটামুটি পারেন। তাই সবার ভরসা এলেন ভাই।  বিকালটা গড়াতে চলে।  একটা লিস্ট আজি শেষ করতে হবে।  করা কারা গরিব ও দিনমুজুর তাদের একটা লিস্ট করছেন।  আর বকছেন, আগেই বলছিলাম তোমরা ভোটার আইডি কপি করে রাখ, মবাইল নাম্বার মুখস্ত করে লিখে রাখ।  আজি শেষ দিন।  তোমাদের কে দিয়ে গরুর ঘাস কত ও হবে না।  বেশ ২০ জনা মহিলা ঘিরে রেখেছেন। বলছেন , কেন ঘিরে রাখসিস তোরা ? আমাকে লিখতে দে? তোদের তো বড় বড় আত্মীয় আছে যা ওদের কাছে! যা তোরা।  আমি ওঁৎ দেখতে পাই না।  এই সর তোরা।  মোবাইল নাম্বার দে জলদি।  এখনই না লিখলে আর পাবি না।  খাবি কি? মাটি খাবি তোরা ? লিখছি তোদের নাম।  বল নাম্বার দে।  বল , তোর নাম কি?
দূরে ছেলেপেলে খেলছে আর কেচ কেচ করছে।  এলেন ভাইয়ের খুব অসুস্থি।  হেরে তোরা কি আর জায়গা পাস্ না আমার মাথার উপর খেল ! তোদের মারা ও ছেড়ে দেয়।  যা ভাগ তোরা।  এ দিকে সন্ধ্যার আগে আগেই সব লিস্ট করতে হবে।  সবাই সর্গল করে বলছে আর উনি লিখে যাচ্ছেন।

রূপসী দাঁড়িয়ে আছে লাইনে , এক দীর্ঘ লাইন।  আজ রাতে চাল ডাল দিয়ে যাবে একদল ছেলেরা।  লাইনে সবার চাওয়া কখন তার নামটা ডাকবেন এলেন ভাই।  রূপসীর স্বামী চলে গেল বগুড়ায়।  নিজের বাড়িতে বাবা মায়ের কাছে।  ঢাকায় যে বিয়ে করে সংসার করছে তা তার বাবা মা জানে না। অনেক বার জানানোর কথা বলতে গিয়ে মার্ খেয়েছে রূপসী।  একটা দর্জি ঘরে কাজ করে দিনযাপন করে।  এখন দোকান বন্ধ।  মালিক বেতন না দিয়ে দোকান বন্ধ করে দিল।  ফোন দিলে রিসিভ করে না।  জীবনের তাগিদে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রহর গুনছে কখন রূপসীর নাম আসবে।  

Managing social grant for poor people properly especially in the time of life threatening crisis


Managing social grant for poor people properly especially in the time of life threatening crisis



Let’s start the discussion with the modern banking system and smart currency concept like paper money.
Where there was no bank, people who have deficit need spend time, energy, money to find the people who have surplus fund and want to borrow them. Not only that the persons in crisis were not sure about getting their required amount of debt from a single person and they might need to approach more than one person to manage their complete amount. But after banks arise, people having surplus   put their extra money there and people in deficit also go to the same place for borrowing. As a result, society’s welfare increased   as individuals, families, organizations, factories can mediate and arrange their much needed funds at the quickest time possible to utilize that for producing for the same society also at the quickest time possible and sell cheaply.
Now take an example of the transport system. People need to spend boring time to find their preferred vehicle while on the street. Also there was a chance of conflict about fare, exact distance, number of people or goods to be carried and other issues. But because of simple mobile apps like UBER ,Pathao, life has become easier. People can decide easily sitting in their drawing room and at the end, nobody is unhappy. As a result, society’s overall welfare is  maximized.
Another good example is the food industry. Previously, if we think of takeaway food, we just can get those from professional food preparing hotel and restaurants. People in need of food have to visit those places physically to order for their preferred items from the menu, resulting in increased cost in terms of time, money, energy and conflicts. But when simple mobile apps like UBER EATS,PATHAO FOODSs get the food vendors and buyers together, the problem eases a lot and society’s welfare increases. The wonderful things start to happen when mass households prepare foods not only for their daily needs but also sell some portion for other persons or families who need those or do not have much time to prepare those. Things get much comfortable, cost effective, and efficient when ride sharing companies or others like FOOD PANDA arrange to ship the foods ordered home cheaply at the earliest. Again society’s welfare goes up and efficiency is increased as a whole.

The previous three stories are the examples of social technologies. Social technologies are the systems or arrangements to get the general mass organized in pursuit of a goal or goals.
The purpose of this article is not to make research paper about social technologies but to find any means possible for the poorest section of the country to support in any form in a time like lockdown which the country or world as a whole has not seen in the century.

The question : can we  arrange for any social technologies similar to above mentioned stories to feed or support hundreds of thousands of ultra poor people.
The number of rich people is on the increase more than ever. People have a positive mental attitude to  give donations for the destitute but the problem is the wealthy people do not know who are much needy to support instantly or the poorest also do not know who want to donate or who have that kindness. This lack of social connection, disorganization punishes the poor in terms of money, energy ,health, time  and at the same time  creates an inertia for the able people to come forward. This means a longer lasting tyranny for the poorer class. The matter has become forefront especially in a time like country-wide lock down to control the outbreak of the COVID-19 pandemic. Hundreds of thousands of people are at the threat of famine or long term hunger, resulting in death, malnutrition, birth of immature babies, rise of criminal activities, social disorder, spread of other diseases and death from other diseases etc.
If we have enough to feed the poor for a year then it has to be made sure that it has been properly organized so that the much needed rations be able to reach the real poor. There is no alternative to social technologies as described at the beginning for the best organization. It will ensure proper distribution and stop dishonest people from stealing. it will ease the pressure from the government as general people from the rich class will join no doubt. It will help to channelize the donations from a specific location to the same location’s poor people. A specific place’s total number of destitute poor people will be registered and that place’s donors also will be registered. it has to be  decentralized and  well organized system like other social technologies.     Even fund or grants from foreign sources can be managed using the same platform.
The country has been in lockdown for only 7 days. Nobody knows how long it will continue or how long it will take to control COVID-19 outbreak. Under this circumstance, we have lot of rich kind people who want to help the poor. If this can be organized properly, society’s welfare will certainly increase, ultra poor people will survive, assistance will reach at the quickest, proper amount of help can be assessed for the right person. When these people will be fed properly, country can concentrate properly on fighting COVID-19.We are optimistic like other issues. We have made many good things possible. Like other sectors, we will hopefully be able to manage our  social grants properly to channelize those to the poor people most efficiently and ensure their survival.(Self)
               






রমা

 রমা  আমার বয়স ৩০। গত ৩০ বছরে ৪টা বড় বড় Certificate আছে আমার । আমার অনেক বড় পাওয়া আমার ছাত্র জীবনে রমা মেম কে পাওয়া। ক্লাস ৪ থেকে তিনি আমাদে...