Friday, 16 February 2018

শিল্প নিয়ে ভাবনা।

শিল্প নিয়ে ভাবনা।
একটা নীল আকাশ । তুমি ভাবছ , নীল এত অদ্ভুত কেন! কোথাও হালকা নীল অথবা সাদাতে নীল। নীল টা আবার ক্যানভাস থেকে গড়িয়ে পরছে অন্য জগতের সাথে মিল বন্দন করছে। এই ভাভতে ভাবতে হয়ত একটা নীল  গাছ দেখবে । পরতে পরতে নীল পাতা আবার নীল ফুল দেখবে । কোথাও নীল ফুলটা আবার কল্পনার রঙ টাকেও ছারিয়ে যাবে । এইতো নীল রঙ যাকে আকদিন ভালবেসেছিলে । হুম রেখা গুলা কেমন জান দূরে গিয়ে মিশবে নীল আকাশের সাথে । একবর মনে হবে বড্ড বেশি গা ঝালা করছে আবার মনে হবে এটাই বুজি  রঙের কারিগরের মনের খেলা । জগতে নীল টা সবচেয়ে মানুষের আপন । কত তুমি হারাতে চাও যাও নীল টাকে আপন করে নাও । আপনি আরিস্ট , আর্ট নিয়ে আপনার ভাবনা কারও সাথে একইরকম হবে না । আপনার রঙ কত ভিন্ন ভিন্ন ভাবে আপনাকে ডাকে আর আপনি তার সাথে খেলা করেন তার উপর নিরভর করে কেমন হবে ঐ শিল্প ।
গুম আসে না । একটা ভাবনা আপনি আটকে আছেন । আপনি কাউকে বুজাতে পারছেন না । একটা রঙ আর ক্যানভাস শুদু খেলা করবে । কোন কারন ছাড়া আপনি জখন ভাবনা টাই তুলে আনবেন তখন বুজা যাবে যে ভাবনা টা কতটা স্পষ্ট ছিল।
ঐ জাতি খুব শক্তিশালী যার শিল্প- সাহিত্য সমাদৃত । সে যেমন দেশ হোক না কেন যেখানে রঙ তুলির ভাষা বুজার মত লোক থাকবে সেখানে মানুশিক মুক্তি হবে । যে কল্পনা করতে পারবে না সে সবপ্ন দেখবে না । সে কি পারলৌকিক মুক্তি পাবে? জীবনকে যারা যত রঙ দিয়ে মাখাতে পারবে সেখানে অন্য সমস্যা থাকবে না ।

আপনার কর্ম বুজাতে হলে চারপাশ থেকে বেড়াজাল তুলে দেন। মানুষকে তাঁর পরম আত্মার সাথে মেল করিয়ে দেন । যেখানে যত উন্মুক্ত থাকবে শিল্প সেখানে মানুষ নিজেকে বদলাতে চাইবে । আপনি ধর্ম , বর্ণ আর গোত্র বিচার করে শিল্প বানাতে পারবেন না । আপনাকে প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে শিল্প সাহিত্য । একদিন বিকারগস্থ, ঘুনে খাওয়া সমাজ বদলাবে । যে দিন ওর মনে নীল রঙটা খেলা করবে ।

Thursday, 15 February 2018

অনুদের শুক্র বার ।

অনুদের শুক্র বার ।
অনুর বাবা সরকারি চাকরিজীবী । মাস ফুরুলে যে বেতন পান তেতে সংসার চালাতে হয় পুরো মাস জুড়ে। ৩ মায়ে আর ১ ছেলের পড়াশুনা আগে প্রাধান্য থাকে। মাস্টারে বেতন, স্কুল ফিস আর খাতা কলম তার পর থাকে সখের খাবার দাবারের লিস্ট। হুম , শুক্রবার এই সংসারে সব চেয়ে খুসির দিন । না খাবারের জন্য নয়। বাবা থাকেন বাসায় এই আনন্দে । বাবা আবদুল খায়ের জীবনে ১০ পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন । আর একটু পড়লে উপরের পোস্টে যেতে পারতেন। এই কথা অণুদের বারবার স্মরণ করিয়ে দেন ।
শুক্রবার সকাল মা সুলতানা বেগম রুটি করে টেবিলে খেতে ডাকেন।
অণু, টিয়া , হিয়া , রাসেল খেতে আস।
সবার পড়ার শব্দে মায়ের কথা কেঊ শূণলো না ।
বাবা উঠবেন , বাবা পড়া দেখবেন তাড় পর একসাথে সাথে খাবেন ।
বাবা রাসেল কে খুব বকা দেন কিন্তু ৩ মেয়ে চোখের মণি।
বাবা হয়ত বলবেন , আজও তোর পড়া শূনতে পাই নি । আমার হিয়া ছাড়া কেউ তো ঠিক করে পোড়লো না । তোদের পিছনে খাটার চেয়ে গরু মহিষের পিছনে খাটলে ভাল হত । এতে কার ও মনে কিন্তু বাবার জন্য রাগ হয়না । কারণ বাবা তখনি বলবেন, চল খেতে বসি । সবাই মিলে খওয়ার রহমত আছে । বলতে বলতে বাবার চা চলে আসবে । মা বলবেন আজ তো বাঁজার নাই ।
বাঁজার নিয়ে সংসারে নানা ঝামেলা । মা বলবেন আমী কিছু লিখতে পারবনা হিয়া । তুই তোর বাবাকে বল না হোয় লিখে দে ।
৩ বোন আর ভাই মিলে লিখবে ।
মুরগি, মাছ , আলু , কুমড়া ,চিংড়ি , নূডূল, বিস্কুট ...।
বাবা নিয়ে আসলেন  ছোট মাছ , কচু , লাঊ আর আলু ।
এতে কারো মনে কষ্ট নাই । বাবা এমনটাই করেন । কিন্তু দুপুরে গরম ভাতের সাথে আদর আর মায়ের ঘোমটা দেয়া মূখটা বড় অদ্ভুত মজার ।
ঐ দিন টা সবাই একসাথে খাবে আর ভাইবোন গুলা কী হল সারা সপ্তাহ জূড়ে তাই শূণাবে। গল্প গুলা সাদারঙের কিন্তু বাবা তাও মোণ দিয়ে শুনবেন । এক গল্প ১০ বার শুনলেও বাবা না করবেন না ।
বাবা গান শূনতে পছন্দ করেন। টিয়া মণি একটা গান শুনাও । ও পদ্মা নদী তোর কাছে শুধাই বল আমারে তোর কীরে ভাই কূল কিনারা নাই ও নদী কূল কিনারা নাই ।“ শূনতে শূনতে চোখ টা বূজে আসবে । আর এমন করে সকাল গড়িয়ে বিকাল হবে ।
সন্ধ্যায় বাবা পড়াতে বসাবেন ।
রাসেল ভয়ে থাকে যদি আগের পড়া ধরায় , ও তো সবই ভুলে গেছে ।
অণু , টিয়া যে যার মত পরছে ।
বাবা নিয়ে বসছেন হিয়া আর রাসেল কে নিয়ে ।
বাবা বলছেন , আমার চা দিয়ে দাও । ওদের অংক দেখব আজ ।
তখনই সবার ভয় হয় বাবা যেন কম পড়ান না হলে আজ ১০টা পর্যন্ত বসিয়ে রাখবেন ।
হূম,অণু খাতা টা রেখে যা , দেখি তোর কি অবস্থা ।
টিয়া , তোর English খুব খারাপ হচ্ছে । মন দিয়ে রুলেস দেখ ।
হারামজাদা তো কিছুই পারেনা ।



আবার সেই শুক্র বারের অপেক্ষা ।।

Wednesday, 14 February 2018

শিরনামহীন ভালবাসা

তোর কোন খবর নাই আজ ৮ বছর । 
হুম , তুই তো খবর নিলিনা ।
তোর ফোন নুম্বেরটা delete করলাম সেই কবে। 
সেই রাগ এখন ও আছে? 
হুম ।। 
আমি তোকে বলিনি প্রতিদিন আয় আড্ডা দেই, তোর কবিতা পড়ে শুনা, অথবা আবলতাবল গল্প বল।
চাইছিলাম যে , অন্তত মাসে একদিন বাসায় আসবি । বলবি, আমার চা খেতে ইচ্ছা করছে । ঘরে রাগ করে খাইনা । আমি বানাব । তুই আর আমি আক্সাথে বসে খাব আর হি হি করে হাসব। 
এলিনা ।
তুই ও তো এলিনা ।
তুই জানিস আমি রাগ করছি। আর রাগ করলে আমি তা ভুলতে পারিনা । হুম মুখে আমি কখন ও বল্ব না । 

আমার বিয়ে হওয়ার পর আসলি একবার কি ২ বার । 
হুম , কিন্তু চা খেতে চাইলিনা।
বুজলাম তুই বুজে গেচিস আমি অনেক দূরে চলে গেছি।

তোর কথা সত্যি । 
ভুলে গেলি যে দুনিয়াটা ছোট । 
হুম শুনলাম , তোর বাবা খুব অসুস্থ। যেতে পারছি না । বাসা চিনিনা । একি শহরে অথচ দেখব না এটাও ভাবিনি । 
তুই না হয় অন্য কোন বিশাল western শহরে । কিন্তু খালাম্মা উনাকে ও তো মায়ের মত দেখি ।
তোর সাথে আমার দূরত্ব হয়তো শেষ হবার না । কিন্তু, সময় গুলা ও তো তোর মনে থাকার কথা । 
আমার মেয়েটা কে তো বলতে পারতি , তোর মা আমার সব চেয়ে কাছের বন্ধু।  বলতে তো পারতি , তোর মা , আমার সুখ দুখের সাথি ছিল । 
আমিতো আমার মেয়েকে বল্ব । আমার বন্ধু কে হারিয়ে ফেলেছি ।
সে এখন এক শিরনামহীন ভালবাসা ।
সঞ্চিতা ... 
আমার রাগ টা থাক না হয় আমার কাছে।
তুই তোর মত ই থাক ।
কোন দিন ইচ্ছা হলে চলে আসিস চা খেতে। 

রমা

 রমা  আমার বয়স ৩০। গত ৩০ বছরে ৪টা বড় বড় Certificate আছে আমার । আমার অনেক বড় পাওয়া আমার ছাত্র জীবনে রমা মেম কে পাওয়া। ক্লাস ৪ থেকে তিনি আমাদে...