কথন
ছাদের পাশে একটু বাড়তি জায়গা ছিল লুকানোর মত. রিদি কোন কারণ ছাড়া লুকাত। আকাশ জুড়ে তারাদের সাথে নিত্য ওর কথা। গাছের পাতাদের ধরে ধরে ওদের সাথে কথা। সিঁড়িতে বসে সিঁড়ির ফাক গুলার সাথে কথা। হওয়ার সাথে কথা। রাজ্যের জমানো কথা বলে যায়। ঘরে কারো সাথে কথা বলতে ভাল লাগে না। অভিমান অনেক অভিমান রিদির।
পাশের বাড়ির চাচী এসে বলে , রিদি কি এত কথা বলে ছাদে ? বিড় বিড় করে ! আজব মেয়ে। ওরে ডাক্তার দেখাও। রিদি বুজে সবাই ওকে দেখে রাখে , যেন মনে হয় সবাই বুজে গেছে , ওর পালানোর কথা। ও পালিয়ে যাবে সবার থেকে দূরে কোথাও।
কার ভাল লাগে প্রতিদিন পড়তে , আর জগড়া শুনতে ! নানু বাড়ি যাচ্ছে , বাবা -মা জগড়া করে যাছ্চে বাসে। শেষে, এক ছেলে চিপস কিনে রিদি কে দিয়ে বলে , শুনে তোমার মা -বাবা কে বল , ওদের জগড়া সবাই শুনতে পায়। সে দিন ওর অনেক লজ্জা লাগছিল। মনে হয় সে দিন প্লেন করে ও চলে যাবে।
রিদির বাবা মনে করে - নানা বাড়ির সম্পদ যেন রিদির বাবার। আর রিদির মা ভাবে - রিদির বাবা -আব্বাস - ওরে কিছু দিল না। না সুখ না শান্তি। কারনে অকারণে লেগে থাকে।
রিদির বড় ইচ্ছা - সমুদ্র দেখবে। কিন্তু বলতে তো পারবে না। োর তো ওকে মারবে না হয় ওরে বকবে। কি দরকার ওদের মাঝে নিজে কে রাখার। তাই ওর ভাবনা ও দূরে কোথাও চলে যাবে। অনেক দূরে। এখানে কোন আদর নেই। যেখানে যাবে কেউ যেন ওরে না ফিরিয়ে আন্তে পারে।
রিদির বন্ধু নাই। আছে শুদু দুষ্ট কিছু খেলার সাথী। খেলতে গেলে োর শুদু ওরে নিয়ে হাসাহাসি করে। হাস্তে হাস্তে গড়িয়ে পরে। রিধি ভাবে ওদের ধরে কষিয়ে কয়টা মার্ দিবে। পারে না। তাই খেলতে যাওয়া হয় না।
বাবা মা জগড়া করলে ও লুকিয়ে পড়ে। ছাদের কোনায় গিয়ে বসে থাকে। আর কথা বলে। অনেক কথা , বলতে বলতে ঘুমিয়ে পড়ে।
প্রতিদিন যায় আর ওর বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার প্লেন বাড়তে থাকে। ওর একা একা চলা অভ্যস্ত হয়ে গেল।
এখন আর ও কাউকে ভালবাসে না। ছাদে যায় না , সিঁড়িতে বসে কান্না করে না , গাছের পাতা গুলো কে আর গুনে না।
একই ক্লাসে ২বছর পড়ে ওর নতুন বন্ধু হয়েছে। তিন্নি - ওর বাবা -মা ও জগড়া করে দিন রাত সবসময়। রিদিকে এসে ও প্রতিদিন বলে - আজ কি হল কাল কি হল।
তিন্নিকে রিধির অনেক ভাব। সব সময় ওরা মানিকজোড়। গলায় গলায় ভাব। এখন আর ওর কোথাও হারাতে ইচ্চা হয় না। তিন্নিকে ওর সময় দিতে বেশি ভাল লাগে। যদি ও রিধি বাবা- মার্ সাথে তেমন কথা বলে না। োর জগড়া করলে ও বাথরুমে বসে থাকে , গোসল করে , আয়নায় নিজেকে দেখে। নতুন কোন বই নিয়ে হারিয়ে যায়।
রিধি ভাবে , বাবা -মা কেন এমন হয় ! োর বড় হবে কবে ?
ছাদের পাশে একটু বাড়তি জায়গা ছিল লুকানোর মত. রিদি কোন কারণ ছাড়া লুকাত। আকাশ জুড়ে তারাদের সাথে নিত্য ওর কথা। গাছের পাতাদের ধরে ধরে ওদের সাথে কথা। সিঁড়িতে বসে সিঁড়ির ফাক গুলার সাথে কথা। হওয়ার সাথে কথা। রাজ্যের জমানো কথা বলে যায়। ঘরে কারো সাথে কথা বলতে ভাল লাগে না। অভিমান অনেক অভিমান রিদির।
পাশের বাড়ির চাচী এসে বলে , রিদি কি এত কথা বলে ছাদে ? বিড় বিড় করে ! আজব মেয়ে। ওরে ডাক্তার দেখাও। রিদি বুজে সবাই ওকে দেখে রাখে , যেন মনে হয় সবাই বুজে গেছে , ওর পালানোর কথা। ও পালিয়ে যাবে সবার থেকে দূরে কোথাও।
কার ভাল লাগে প্রতিদিন পড়তে , আর জগড়া শুনতে ! নানু বাড়ি যাচ্ছে , বাবা -মা জগড়া করে যাছ্চে বাসে। শেষে, এক ছেলে চিপস কিনে রিদি কে দিয়ে বলে , শুনে তোমার মা -বাবা কে বল , ওদের জগড়া সবাই শুনতে পায়। সে দিন ওর অনেক লজ্জা লাগছিল। মনে হয় সে দিন প্লেন করে ও চলে যাবে।
রিদির বাবা মনে করে - নানা বাড়ির সম্পদ যেন রিদির বাবার। আর রিদির মা ভাবে - রিদির বাবা -আব্বাস - ওরে কিছু দিল না। না সুখ না শান্তি। কারনে অকারণে লেগে থাকে।
রিদির বড় ইচ্ছা - সমুদ্র দেখবে। কিন্তু বলতে তো পারবে না। োর তো ওকে মারবে না হয় ওরে বকবে। কি দরকার ওদের মাঝে নিজে কে রাখার। তাই ওর ভাবনা ও দূরে কোথাও চলে যাবে। অনেক দূরে। এখানে কোন আদর নেই। যেখানে যাবে কেউ যেন ওরে না ফিরিয়ে আন্তে পারে।
রিদির বন্ধু নাই। আছে শুদু দুষ্ট কিছু খেলার সাথী। খেলতে গেলে োর শুদু ওরে নিয়ে হাসাহাসি করে। হাস্তে হাস্তে গড়িয়ে পরে। রিধি ভাবে ওদের ধরে কষিয়ে কয়টা মার্ দিবে। পারে না। তাই খেলতে যাওয়া হয় না।
বাবা মা জগড়া করলে ও লুকিয়ে পড়ে। ছাদের কোনায় গিয়ে বসে থাকে। আর কথা বলে। অনেক কথা , বলতে বলতে ঘুমিয়ে পড়ে।
প্রতিদিন যায় আর ওর বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার প্লেন বাড়তে থাকে। ওর একা একা চলা অভ্যস্ত হয়ে গেল।
এখন আর ও কাউকে ভালবাসে না। ছাদে যায় না , সিঁড়িতে বসে কান্না করে না , গাছের পাতা গুলো কে আর গুনে না।
একই ক্লাসে ২বছর পড়ে ওর নতুন বন্ধু হয়েছে। তিন্নি - ওর বাবা -মা ও জগড়া করে দিন রাত সবসময়। রিদিকে এসে ও প্রতিদিন বলে - আজ কি হল কাল কি হল।
তিন্নিকে রিধির অনেক ভাব। সব সময় ওরা মানিকজোড়। গলায় গলায় ভাব। এখন আর ওর কোথাও হারাতে ইচ্চা হয় না। তিন্নিকে ওর সময় দিতে বেশি ভাল লাগে। যদি ও রিধি বাবা- মার্ সাথে তেমন কথা বলে না। োর জগড়া করলে ও বাথরুমে বসে থাকে , গোসল করে , আয়নায় নিজেকে দেখে। নতুন কোন বই নিয়ে হারিয়ে যায়।
রিধি ভাবে , বাবা -মা কেন এমন হয় ! োর বড় হবে কবে ?
No comments:
Post a Comment
Thanks a lot
Regards,
morsalina