অপেক্ষার প্রহর
বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা ছুঁই ছুঁই , চোখে তেমন একটা দেখতে পান না এলেন ভাই। এলেন ভাই অনন্তপুরের স্মার্ট ব্যক্তি। যিনি সবার সাথে সমস্যা ও সমাধান নিয়ে কথা বলেন। সবার বিপদে একই দাঁড়িয়ে যান। নিজের কিছু না থাকলেও অন্যের বিপদে বুক পেতে দেন। সম্মান করেন যারা তাকে তার বিবিধ সমস্যার সময় পাশে থাকেন। পাতলা লিকলিকে সরিলে একটা গেঞ্জি আর জিন্সের পেন্ট পরে তিনি চলে যান সবার কাছে। আমাকে ভাবি ডেকে সালাম দিবেন মাথা নিচু করে। বাংলা ও ইংলিশ মোটামুটি পারেন। তাই সবার ভরসা এলেন ভাই। বিকালটা গড়াতে চলে। একটা লিস্ট আজি শেষ করতে হবে। করা কারা গরিব ও দিনমুজুর তাদের একটা লিস্ট করছেন। আর বকছেন, আগেই বলছিলাম তোমরা ভোটার আইডি কপি করে রাখ, মবাইল নাম্বার মুখস্ত করে লিখে রাখ। আজি শেষ দিন। তোমাদের কে দিয়ে গরুর ঘাস কত ও হবে না। বেশ ২০ জনা মহিলা ঘিরে রেখেছেন। বলছেন , কেন ঘিরে রাখসিস তোরা ? আমাকে লিখতে দে? তোদের তো বড় বড় আত্মীয় আছে যা ওদের কাছে! যা তোরা। আমি ওঁৎ দেখতে পাই না। এই সর তোরা। মোবাইল নাম্বার দে জলদি। এখনই না লিখলে আর পাবি না। খাবি কি? মাটি খাবি তোরা ? লিখছি তোদের নাম। বল নাম্বার দে। বল , তোর নাম কি?
দূরে ছেলেপেলে খেলছে আর কেচ কেচ করছে। এলেন ভাইয়ের খুব অসুস্থি। হেরে তোরা কি আর জায়গা পাস্ না আমার মাথার উপর খেল ! তোদের মারা ও ছেড়ে দেয়। যা ভাগ তোরা। এ দিকে সন্ধ্যার আগে আগেই সব লিস্ট করতে হবে। সবাই সর্গল করে বলছে আর উনি লিখে যাচ্ছেন।
রূপসী দাঁড়িয়ে আছে লাইনে , এক দীর্ঘ লাইন। আজ রাতে চাল ডাল দিয়ে যাবে একদল ছেলেরা। লাইনে সবার চাওয়া কখন তার নামটা ডাকবেন এলেন ভাই। রূপসীর স্বামী চলে গেল বগুড়ায়। নিজের বাড়িতে বাবা মায়ের কাছে। ঢাকায় যে বিয়ে করে সংসার করছে তা তার বাবা মা জানে না। অনেক বার জানানোর কথা বলতে গিয়ে মার্ খেয়েছে রূপসী। একটা দর্জি ঘরে কাজ করে দিনযাপন করে। এখন দোকান বন্ধ। মালিক বেতন না দিয়ে দোকান বন্ধ করে দিল। ফোন দিলে রিসিভ করে না। জীবনের তাগিদে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রহর গুনছে কখন রূপসীর নাম আসবে।
বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা ছুঁই ছুঁই , চোখে তেমন একটা দেখতে পান না এলেন ভাই। এলেন ভাই অনন্তপুরের স্মার্ট ব্যক্তি। যিনি সবার সাথে সমস্যা ও সমাধান নিয়ে কথা বলেন। সবার বিপদে একই দাঁড়িয়ে যান। নিজের কিছু না থাকলেও অন্যের বিপদে বুক পেতে দেন। সম্মান করেন যারা তাকে তার বিবিধ সমস্যার সময় পাশে থাকেন। পাতলা লিকলিকে সরিলে একটা গেঞ্জি আর জিন্সের পেন্ট পরে তিনি চলে যান সবার কাছে। আমাকে ভাবি ডেকে সালাম দিবেন মাথা নিচু করে। বাংলা ও ইংলিশ মোটামুটি পারেন। তাই সবার ভরসা এলেন ভাই। বিকালটা গড়াতে চলে। একটা লিস্ট আজি শেষ করতে হবে। করা কারা গরিব ও দিনমুজুর তাদের একটা লিস্ট করছেন। আর বকছেন, আগেই বলছিলাম তোমরা ভোটার আইডি কপি করে রাখ, মবাইল নাম্বার মুখস্ত করে লিখে রাখ। আজি শেষ দিন। তোমাদের কে দিয়ে গরুর ঘাস কত ও হবে না। বেশ ২০ জনা মহিলা ঘিরে রেখেছেন। বলছেন , কেন ঘিরে রাখসিস তোরা ? আমাকে লিখতে দে? তোদের তো বড় বড় আত্মীয় আছে যা ওদের কাছে! যা তোরা। আমি ওঁৎ দেখতে পাই না। এই সর তোরা। মোবাইল নাম্বার দে জলদি। এখনই না লিখলে আর পাবি না। খাবি কি? মাটি খাবি তোরা ? লিখছি তোদের নাম। বল নাম্বার দে। বল , তোর নাম কি?
দূরে ছেলেপেলে খেলছে আর কেচ কেচ করছে। এলেন ভাইয়ের খুব অসুস্থি। হেরে তোরা কি আর জায়গা পাস্ না আমার মাথার উপর খেল ! তোদের মারা ও ছেড়ে দেয়। যা ভাগ তোরা। এ দিকে সন্ধ্যার আগে আগেই সব লিস্ট করতে হবে। সবাই সর্গল করে বলছে আর উনি লিখে যাচ্ছেন।
রূপসী দাঁড়িয়ে আছে লাইনে , এক দীর্ঘ লাইন। আজ রাতে চাল ডাল দিয়ে যাবে একদল ছেলেরা। লাইনে সবার চাওয়া কখন তার নামটা ডাকবেন এলেন ভাই। রূপসীর স্বামী চলে গেল বগুড়ায়। নিজের বাড়িতে বাবা মায়ের কাছে। ঢাকায় যে বিয়ে করে সংসার করছে তা তার বাবা মা জানে না। অনেক বার জানানোর কথা বলতে গিয়ে মার্ খেয়েছে রূপসী। একটা দর্জি ঘরে কাজ করে দিনযাপন করে। এখন দোকান বন্ধ। মালিক বেতন না দিয়ে দোকান বন্ধ করে দিল। ফোন দিলে রিসিভ করে না। জীবনের তাগিদে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রহর গুনছে কখন রূপসীর নাম আসবে।
No comments:
Post a Comment
Thanks a lot
Regards,
morsalina