Friday, 4 October 2019

Sharodio suvecha 2019

শারদীয় শুভেচ্ছা

বাসার পাশে কাশ ফুলে ছেঁয়ে গেছে।  শখ করে শাড়ি পরে গেলাম বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরতে। জায়গাটা এমন যে আসে পাশের বাচ্চা মা বাবা রা ছুটে আসে।  বাসার সামনে পিছনে কাশ ফুলে ছেয়ে গেছে।  সাদা মেঘের সাথে ওদের সখ।  আমি আমার বর ২জন বাচ্চাদের নিয়ে একটু সামনে গেলাম। পরিচিত ভাই বোনদের সাথে সাক্ষাৎ।  আরো সামনে গিয়ে দেখি সবাই খেলছে।  আমরা ও ওদের নিয়েবসলাম। নাবা কে কয়টা ফুল ানে দিলাম।  ওর ভাল লাগলো ফুল গুলা। আর মধ্যে আমরা কয়টা ছবি ও তুললাম।  হুম মন ভাল করে দিল সামান্য হাঁটা আর প্রিয় মানুষের সাথে বিকালটা।  বলা হয় না ভালবাসি কত এই ছোট সংসারকে।  আমাদের ঘর আমাদের বাচ্চারা এইত আমরা। 

সারা শহর জুড়ে ছাড় চলছে।  ফ্লাট ৫০% ছাড়।  বাচ্চাদের কাপড় কিনতে ইচ্ছা করল।  কয়দিন হল নাবা র একটা স্কার্ট বানাবো কাপড় কিনব কিনব করে কিনা হচ্ছে না।  সে দিন তালতলা গেলাম কিন্তু মবাইল আর অন্য কাজ করে তেমন বাড়তি টাকা ছিল না।  সিটি সুপার মার্কেট গেলাম।  ওঁৎ মানুষের ভীড় নাই।  আমরা যে দোকানে যাই খুব কম দামে জিনিস দিচ্ছে।  জাপানি একটা দোকানে ঢুকলাম মিনোসি নাম তার।  ছোট ছোট জিনিস আর এত ভাল লাগে।  পুতুল হেড ফোন , চামচ , টিফিন বাক্স, সানগ্লাস, রং কত কি ! কিছু কিছু জিনিস বাসায় আছে তও মনে হয় নিয়ে আসি।  বাজার করা লোকদের এমন হয়।  কিছু কিনা কাটা করে বাসায় আসছি।

পাড়ার 'প্রতিমা এখন ও রং দে নি।  কাদা মাখানো।  বচ্চার উঁকি দিচ্ছে কখন রং দিবে।  সাজানো বাকি।  ওদের জল্পনা কল্পনা কেমন হবে পেন্ডেল আর প্রতিমা। কেউ কেউ দূর থেকে সাইকেল নিয়ে এখনই আসা শুরু করছে দেখতে কেমন করে বসান হল. ওদের কথা শুনছি , একজন বলছে গত বছর আমি একে দেখিছি ওকে দেখিছি। টিভি তে যারা গান করে তারা আসে গান করে. কিনা কাটা করে।  সারারাত ঘুরে।  মা -বাবা র সাথে বাহিরে খেতে যায়. হুম আমি মন দিয়ে ওদের রং বেরঙের কথা শুনি। আর তো কোটা দিন আসমানে ঘুড়ি উড়বে। আমি আর নাবা দেখব আর মসীব কে দেখাব।
পূজা আসুক ওদের কাছে যারা বছর জুড়ে অপেক্ষা করে। 
ভাল থাকুক সবাই।

No comments:

Post a Comment

Thanks a lot
Regards,
morsalina

রমা

 রমা  আমার বয়স ৩০। গত ৩০ বছরে ৪টা বড় বড় Certificate আছে আমার । আমার অনেক বড় পাওয়া আমার ছাত্র জীবনে রমা মেম কে পাওয়া। ক্লাস ৪ থেকে তিনি আমাদে...