Wednesday, 10 April 2019

Bokul fuul... A morning flower

বকুল ফুলের আত্মকহন। 

শীত শুরু হওয়ার আগেই এই ফুল ফুঁটে। মায়া, শারমিন আর লতা একসাথে স্কুল এ যেত।   শারমিনের বাসার সামনেই ছিল বকুল ফুলের গাছ. প্রতিদিন শারমিন কে নিয়ে যাওয়ার সময় ওরা বকুল ফুল তুলতো।  নিজেদের নামের প্রথম অক্ষর লিখে যেত।  হই হই করে কে কত গুলা তুলে পারে তার প্রতিযগিতা হত. এই কাজটা ৫ মিনিটের মধ্যে করতে হত তা না হলে মায়ের বকুনি ছিল. এই তোরা প্রতিদিন এগুলা করে রেখে যাস আর আমাকে জার দিতে হয়. স্কুল শেষে যে যার বাসায়।  আবার পরের দিন লিখা। 

কেওড়া পাড়া পাশের এলাকা।  হিন্দু বেশি থাকতে ও পাড়ায় ফুলের গাছ থাকতোই। স্কুল ছুটি হলে মায়ের সাথে হাটতে জেট মায়ারা। ওরা ফুল কুড়াতো বাসায় নিয়ে এসে মালা করত. গন্ধে মো মো করত বাড়িতে।  ভাই বোনেরা মিলে পড়তে বসে খেলত। 

মায়া ছোট বেলায় একটা গ্রামে বড় হচ্ছিল।  পাশের বাড়িতেও ছিল বকুল ফুলের গাছ।  কুঁড়ে  নিয়ে পাতা দিয়ে পুকুরে ভাসিয়ে দিত।  না জানি মনে মনে কি বলত! আমার কথা কয় আমার সোনা বন্ধুরে।  
বন্ধুর হাতে বকুল ফুল দেখে মনে পরে গেল কোন একদিন মায়া আর তার বন্ধু যাচ্ছিল শহর থেকে দূরে।  গাছ টা  দেখে রিক্সা থামিয়ে নেমে পড়ল।  এক ঝাকুনি দিয়ে এক রাশি বকুল ঝরে পড়ল গায়ে , সাথে সেই মিষ্টি গন্ধ। জীবন কত মধুময়।  

হা হা হাসিতে মনে হল এই সুখ তুমি দীর্ঘজীবী হও. মন্দিরের ঘন্টা টাং করে শব্দ করল।  মনে হল পাহাড়ে প্রতিধ্বনি হয়ে ফায়ার আসলো। পিছনে থাকা বকুল ফুল গড়িয়ে পড়ছে।  ঝির ঝির হাওয়া বয়ে চলছে। 

আজ বৃষ্টি হোক এই বকুল ফুলের সাথে তুমি আমি গড়িয়ে যাব যত দূর যাওয়া যায়।  

No comments:

Post a Comment

Thanks a lot
Regards,
morsalina

রমা

 রমা  আমার বয়স ৩০। গত ৩০ বছরে ৪টা বড় বড় Certificate আছে আমার । আমার অনেক বড় পাওয়া আমার ছাত্র জীবনে রমা মেম কে পাওয়া। ক্লাস ৪ থেকে তিনি আমাদে...